ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫

প্রচ্ছদ » রাজনীতি » বিস্তারিত

প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি কি মামা বাড়ির আবদার

২০১৮ সেপ্টেম্বর ১২ ১৮:৫৬:২২
প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি কি মামা বাড়ির আবদার

স্টাফ রিপোর্টার : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি কি মামা বাড়ির আবদার। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করে কার কাছে দায়িত্ব দেবেন?

তিনি বলেন, আমরা সংবিধানের বাইরে যাব না, যাচ্ছিও না। অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়, দেশে সেভাবেই নির্বাচন হবে।

বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) নগর ভবনে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) ১১তম সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, চলমান অধিবেশন শেষে অক্টোবরে আরেকটি অধিবেশন বসবে। সেই অধিবেশন সম্ভবত মধ্য অক্টোবরের মধ্যেই শেষ হবে। তফসিল ঘোষণার পর আর সংসদ বসবে না। অক্টোবরের অধিবেশন খুবই সংক্ষিপ্ত হবে। এরপর মন্ত্রীরা কেবল রুটিন ওয়ার্ক করবেন। আর সংসদ আনুষ্ঠানিকভাবে ভাঙবেও না, সংসদের কোনো কার্যকারিতাও থাকবে না, নির্বাচনকালে সংসদ বসবেও না। দেশে যদি যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় সেটা ভিন্ন কথা। তবে আমরা কারও সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই না। আলাপ-আলোচনা করেই সব কিছুর সমাধান চাই। আমরা মিয়ানমারের সঙ্গেই যুদ্ধে জড়ায়নি।

জাতিসংঘ মহাসচিবের আমন্ত্রণে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জাতিসংঘে যাওয়া প্রসঙ্গে কাদের বলেন, জাতিসংঘ যদি তাকে আমন্ত্রণ করে, তারা যদি দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে জাতিসংঘের মহাসচিবের সঙ্গে দেখা করেন, তাতে কোনো অসুবিধা নেই। জাতিসংঘের মহাসচিবের সঙ্গে কি এজেন্ডা আছে তা জানি না। নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হতে পারে। তারা তো জাতিসংঘে অবিরাম অভিযোগ দিয়েই যাচ্ছে। দেশের বিরুদ্ধে নালিশ করছে, সরকারের বিরুদ্ধে নালিশ করছে, সেসব নালিশের ব্যাপারে তাদের মতামত কী, সামনা-সামনি তাদের পলিটিক্যাল উইং আলাপ করতে পারে বলে অনুমান করছি। সেটা নিয়ে আমাদের আপত্তি নেই। আমাদের শক্তির উৎস জনগণ। নির্বাচনে জনগণ পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করবে। আমাদের সিদ্ধান্ত কোনো সংবিধান বর্হিভূত ‘প্রেসারের’ বা চাপের কাছে আমরা মাথা নত করবো না। আর নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপিকে তো আমন্ত্রণ করিনি, তারা তো সংসদে নেই।

খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি প্রসঙ্গে কাদের বলেন, তার মুক্তির জন্য জনগণ যদি উতলা হতো, তাহলে গ্রেফতারে পরেই বিস্ফোরণ ঘটতো। তারা সর্বাত্মক আন্দোলন করবে এটা মানুষ বিশ্বাস করে না। তাদের নেতাকর্মীদের মধ্যেই ঐক্য নেই। একজন আরেকজনকে বলে সরকারের দালাল। তারা সর্বাত্মক আন্দোলন করবে কিভাবে? তাদের সর্বাত্মক আন্দোলন নিরীহ অনশনে পরিণত হয়েছে। সাহস থাকলে আগেই হত, এখন আর সময় নেই। এখন তাদের ডাকে কেউ সাড়া দেবে না। জনগণ এখন নির্বাচনী মুডে আছে।

বিএনপির উদ্দেশে কাদের বলেন, আন্দোলন করেন, জনগণকে নিয়ে করেন। আন্দোলন অহিংস করলে শান্তি। আর যদি সহিংস হয় তাহলে জনগণকে নিয়ে প্রতিহত করবো।

(ওএস/এসপি/সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮)