ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

প্রচ্ছদ » দেশের খবর » বিস্তারিত

সাদুল্যাপুরে রাসেল হত্যা মামলার প্রধান আসামি আটক

২০১৯ জুলাই ১২ ১৪:২০:১৪
সাদুল্যাপুরে রাসেল হত্যা মামলার প্রধান আসামি আটক

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরের ব্যাবসায়ী হত্যা মামলার আসামী আটক।হত্যাকাণ্ডের ৯ মাস পর গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরে ব্যবসায়ী রাসেল সরকার (৩৫) হত্যা মামলার প্রধান আসামি রাজা মিয়াকে (৪৫) আটক করেছে সিআইডি।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় সাদুল্যাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের বড় দাউদপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন (সিআইডি) গাইবান্ধার একটি টিম।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন (সিআইডি) গাইবান্ধার ইন্সপেক্টর মো. সবুর মিয়া বলেন, ‘ব্যবসায়ী রাসেল হত্যাকাণ্ড একটি ক্লু’লেস মামলা। প্রাথমিক তদন্তে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে রাজাকে চিহ্নিত করা হয়। হত্যা ঘটনার পর থেকে রাজা আত্মগোপনে ছিলো। এর আগেও তাকে আটক করতে বগুড়া ও যশোরসহ বিভিন্ন এলাকায় চেষ্টা চালানো হয়।

১১ জুলাই বৃহস্পতিবার গোপনে সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত হলেন উপজেলার বড় দাউদপুর গ্রামের মৃত ওয়াহেদ আলরি ছেলে রাজা মিয়া।

রাসেলকে কেন হত্যা করা হয় এবং হত্যাকাণ্ডে আরও কারা জড়িত আছে তা নিশ্চিত হতে রাজাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। রাজাকে গ্রেফতারের মধ্যে দিয়ে রাসেল হত্যার মূল রহস্য উন্মোচন সম্ভব হবে বলে আশা করেন তিনি। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে’।

উল্লেখ্য যে গত বছরের ৮ নভেম্বর রাসেল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে বড় দাউদপুর গ্রামের সেলিম কেরানীর ছেলে হুজাইফা মিয়া ও মতি সরকারের ছেলে মোকছেদুল ইসলামকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠায়।

যদিও হুজাইফা ও মোকছেদুল হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নয় বলে পরিবারের লোকজন সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি জানান। পরবর্তীতে আদালতের মাধ্যমে জামিনে আসেন তারা দুইজন।

জানা যায়, বিগত বছরের ১৭ অক্টোবর রাতে ব্যবসায়ী রাসেল সরকার (৩৫) মিরপুর বাজারের দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন। পরদিন ১৮ অক্টোবর সকালে দাউদপুর গ্রামের গড়েয়ার বিল সংলগ্ন একটি কলাবাগান থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। রাসেলকে শ্বাসরোধে হত্যার করে দুর্বৃত্তরা।

এ ঘটনায় রাসেল সরকারের বাবা খুশি সরকার বাদী হয়ে সাদুল্যাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। (মামলা নং১৭/১৮)। মামলার পর থেকে দীর্ঘ চেষ্টা করেও পুলিশ রাসেল হত্যার ক্লু উৎঘাটন করতে পারেনি।

গত দুই মাস আগে মামলার তদন্তে দায়িত্ব পায় ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন (সিআইডি) গাইবান্ধা ইউনিট।

(এস/এসপি/জুলাই ১২, ২০১৯)