ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

প্রচ্ছদ » অর্থ ও বাণিজ্য » বিস্তারিত

ঈদের আগে বেতন-বোনাস চাচ্ছেন পিপলস লিজিংয়ে কর্মরতরা

২০১৯ আগস্ট ০৭ ১৪:১১:৪০
ঈদের আগে বেতন-বোনাস চাচ্ছেন পিপলস লিজিংয়ে কর্মরতরা

স্টাফ রিপোর্টার : ঈদুল আজহার আগে বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ, ঈদ বোনাস ও ছাঁটাই বন্ধের দাবি জানিয়েছেন পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

বুধবার (৭ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, ডেপুটি গভর্নর, নির্বাহী পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক এবং হাইকোর্টের নিয়োগ করা সাময়িক অবসায়কের কাছে এ দাবি জানান তারা।

প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট হারুন উর রশিদ বলেন, ‘গত ৯ জুলাই আমরা সংবাদপত্রের মাধ্যমে জানতে পারলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ‘পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড’ বন্ধ হতে যাচ্ছে। সর্বশেষ বাংলাদেশ ব্যাংকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ডিভিশন গত ১৪ জুলাই বন্ধের অনুমতি প্রদান করে। এরপর থেকে এ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সব কর্মকর্তা ও কর্মচারী তাদের ভবিষ্যত নিয়ে চরম আতঙ্কের মধ্যে আছে।’

জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘জুন মাস থেকে আমাদের বেতন বন্ধ করে দিয়েছে। ইন্টারনেট, কাগজসহ অফিসের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা বন্ধ রেখেছে। অথচ আমাদের কাছে কাজ চাচ্ছে!’

তিনি বলেন, ‘আমাদের যদি তারা না রাখতে চায়, তাহলে আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের রিজাইন (চাকরিচ্যুতপত্র) দিতে বলুক। এরপর আমাদের সব ধরনের দেনা-পাওনা বুঝিয়ে দিয়ে বিদায় করে দিক। তাতে আমাদের কোনো ধরনের অসুবিধা নেই। কিন্তু বেতন-ভাতা, ঈদবোনাস না দিয়ে আমাদের তারা রাস্তায় এনে দাঁড় করিয়েছে।’

মানববন্ধনকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে পিপলস লিজিংয়ে প্রায় ১৭৮ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী রয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রধান কার্যালয়ে ৫৮ জন, গুলশান শাখায় ১৩, চট্টগ্রাম শাখা অফিসে ৭ এবং অবশিষ্ট ১০০ জন লাইবেলিটি মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টে কর্মরত।

জুন থেকে বেতন-বোনাস বন্ধ রয়েছে এবং চাকরিচ্যুতির শঙ্কায় রয়েছেন তারা। এরকম পরিপ্রেক্ষিতে মানববন্ধন করে তারা দাবি করছেন, বকেয়া বেতন ও ভাতা পরিশোধ, ঈদুল আজহার বোনাস, চাকরির নিশ্চয়তা প্রদান, চাকরিবিধি অনুযায়ী প্রাপ্য সব সুযোগ-সুবিধা প্রদান, বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা, বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত ছাঁটাই প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা এবং গোল্ডেন হ্যান্ডশেকসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পরিশোধ করা।

(ওএস/এসপি/আগস্ট ০৭, ২০১৯)