ঢাকা, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০, ২২ চৈত্র ১৪২৬

প্রচ্ছদ » বিশেষ খবর » বিস্তারিত

করোনায় বিশ্বব্যাপী গড় মৃত্যুঝুঁকি কমছে

২০২০ মার্চ ১২ ১৯:০৩:০৩
করোনায় বিশ্বব্যাপী গড় মৃত্যুঝুঁকি কমছে

স্টাফ রিপোর্টার: প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে (কভিড-১৯) বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪ হাজার ৬৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এরমধ্যে শুধু চীনেই মারা গেছেন তিন হাজার ১৬৯ জন। আর বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বিশ্বের ১২৪টি দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৫০২ জন।

তবে, আশার কথা হলো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী করোনা ভাইরাসে কমছে গড় মৃত্যুঝুঁকি। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চিকিৎসাধীন ৫৩ হাজার ৫৪৮ জনের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছেন ৪৭ হাজার ৮৪০ জন, আর ৫ হাজার ৭০৮ জনের অবস্থা গুরুতর। যা গত কয়েকদিনের তুলনায় কম।

অন্যদিকে, এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৮ হাজার ৩১৭ জন। সেই হিসাবে বলা যায়, প্রতি ১০০ জন মারা যাচ্ছেন ছয়জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন ৯৪ জন।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, করোনায় আক্রান্ত ১ লাখ ২৬ হাজার ৫০২ জনের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৫৩ হাজার ৫৪৮ জন। এরমধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছেন ৪৭ হাজার ৮৪০ জন ও ৫ হাজার ৭০৮ জনের অবস্থা গুরুতর। আক্রান্তদের মধ্যে বাকি ৭২ হাজার ৯৫৪ জনের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৮ হাজার ৩১৭ জন এবং মারা গেছেন ৪ হাজার ৬৩৭ জন। সেই হিসাবে আক্রান্তদের মধ্যে প্রতি ১০০ জনে ১১ জনের অবস্থা গুরুতর। যা গত কয়েকদিনের পরিসংখ্যানে ১০০ জনে ১২ থেকে ১৩ জনকে গুরুতর দেখানো হয়েছিলো। তাই বলা যায়, করোনায় বিশ্বব্যাপী গড় মৃত্যুঝুঁকি কমছে।

করোনার উৎপত্তিস্থল চীনের বাইরে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ইতালিতে। দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১২ হাজার ৪৬২ জন, আর মারা গেছেন ৮২৭ জন। ইতালির পরেই রয়েছে ইরান। সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার জন, মারা গেছেন ৩৫৪ জন। অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৮৬৯ জন, মারা গেছেন ৬৬ জন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী বলা যায় ইতালি ও ইরানের চেয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় মৃত্যুহার কম।

গত বছরের শেষদিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনা ভাইরাস। যাতে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যু সংখ্যা। প্রায় প্রতিদিনই ভাইরাসের কেন্দ্রস্থল উহানে যেমন নতুন রোগী বাড়ছে, তেমনি নতুন দেশ থেকে করোনা আক্রান্ত রোগীর তথ্য জানানো হচ্ছে। সবশেষ তথ্যানুযায়ী ভাইরাসটি এরইমধ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১২৪টি দেশে ছড়িয়েছে। এসব দেশ থেকে নতুন রোগীর তথ্য জানানো হচ্ছে। পাশাপাশি যোগ হচ্ছে নতুন দেশের নাম।

(ওএস/পিএস/মার্চ ১২, ২০২০)