ঢাকা, সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২০, ২৬ শ্রাবণ ১৪২৭

প্রচ্ছদ » মুক্তচিন্তা » বিস্তারিত

স্বাস্থ্যে রদবদল : মন্ত্রী-মন্ত্রণালয় ধোয়া তুলসী পাতা?

২০২০ জুলাই ২৭ ১১:০৮:০১
স্বাস্থ্যে রদবদল : মন্ত্রী-মন্ত্রণালয় ধোয়া তুলসী পাতা?

রণেশ মৈত্র


গোটা স্বাস্থ্য-ব্যবস্থ, চিকিৎসা-ব্যবস্থা, হাসপাতাল-ব্যবস্থাপনা, বিনা চিকিৎসায়, আধা-চিকিৎসায়, কু-চিকিৎসায় দেশে যখন মৃত্যুর মিছিল-স্বাস্থ্য বিভাগের আগা থেকে গোড়া পর্য্যন্ত যুগ যুগ ধরে অভ্যাহতভাবে চলে আসা দুর্নীতির মহোৎসবের খবরে মানুষ যখন মহা-আতংকে আতংকিত-ঢাকায় অবস্থিত স্বাস্থ্য ভবন-স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে তখন নির্বিবাদে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক মহানাটক মঞ্চস্থ করে মানুষের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টায় মেতে উঠেছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডিজি-যাঁর ‘নিমন্ত্রণ’ রক্ষার দুর্দমনীয় তাগিদে নির্ধারিত সময়ে নির্ধারিত স্থানে বাদ বাকী সকল কাজ ফেলে রেখে রিজেন্টের শাহেদের সাথে অসাধারণ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সশরীরে স্বয়ং হাজির হয়ে ফটো সেশন পর্য্যন্ত শেষ করে, হয়তো বা মহা আদরের সাহেদ প্রদত্ত লাঞ্চ পার্টিতেও যোগ দিলেন সকল কর্মকর্তাসহ এবং ফটো সেশন করার পর-সেই ‘সুযোগ্য’ এবং ‘সততার প্রতীক’ শাহেদকে দুই কোটি টাকাও দিলেন হাসপাতালে বিনামূল্যে করোনা পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পন্ন করে জনগণকে জানিয়ে দুর্লভ বাহবা নিলেন-সেই মন্ত্রীর অধ:স্তন আমলারা আদরের সাথেই একে একে বিদেয় হচ্ছেন-কিন্তু যাঁর অনুমোদনে, সহযোগিতায়, উৎসাহে, প্রশ্রয়ে এত কিছু দুর্নীতির মেলা বসলো-সেই মন্ত্রীমহোদয় কিন্তু যথাস্থানে এই গরমের দিনে দিব্যি এসি চালিয়ে তাঁর সিংহাসনে সগৌরবে আসীন রয়েছেন। ধোয়া তুলসী পাতাও বোধ হয় এত স্বচ্ছ নয়-যতটা আমাদের মাননীয় মন্ত্রী জাহেদ মানিক।

সাহেদ, সাবরিনা, তাদের সঙ্গী সাথীরা পুলিশ-র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে তাদের সাথে সহযোগিতা করেছে এমন শত শত রাঘব বোয়ালের নাম প্রকাশ করেছে বলে সংবাদপত্রগুলির পৃষ্ঠায় খবর প্রকাশিত হলেও মিডিয়ার কাছে ঐ ‘মহান’দের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না। উদ্দেশ্যটা বুঝি অতিশয় মহৎ এমন একটি ব্যাপারে কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করার পেছনে।
নজরুলের ভাষায় বলি, “দেখিয়া শুনিয়া খেপিয়া গিয়াছি”- দেশবাসীর মনের প্রকৃত অবস্থা আজ তাই। তাই হাটে-বাজারে, পথে-ঘাটে, অফিস-আদালতে, বাড়ীতে বাড়ীতে একটিই আলোচনা-স্বাস্থ্য বিভাগের সীমাহীন দুর্নীতি।

পত্রিকা পড়ে জানতে পারি, প্রায় ১৫,০০০ বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিকের অস্তিত্ব রয়েছে সারা দেশে কিন্তু তার মধ্যে প্রায় সাড়ে চার হাজারের লাইসেন্স আছে। বাদ-বাকী দিব্যি নিরাপদে এবং অবশ্যই প্রকাশ্যে, প্রতিদিন সাকুল্যে কমপক্ষে ৫০,০০০ রোগীর চিকিৎসা করে যাচ্ছেন। এটা কি তাঁর মন্ত্রণালয়ের জন্য কম গৌরবের! তাঁর প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সম্মতি না থাকলে যেমন রিজেন্ট-জিকেজির সাথে চুক্তি স্বাক্ষর সম্ভব ছিল না-তেমনি এই দশ হাজারের বেশী হাসপাতাল-ক্লিনিকও বিনা লাইসেন্সে নিরাপদে ব্যবসা করে যেতে পারতো না। জানি না বিনা লাইসেন্সের ফি এর পরিমাণ বা কত? নিশ্চয়ই আছে কিছু একটা।

মাননীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে কতো কথাই না জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করে। যদিও উত্তর আমরা সাধারণ মানুষেরা কোনদিন পাই নি অতীতে, বর্তমানেও পাচ্ছি না, ভবিষ্যতেও হয়তো বা পাব না। মানুষ এখন রণক্লান্ত। নতুন করে শক্তি সঞ্চয় না করা পর্য্যন্ত দেশে যত অন্যায়ই হোক-দেশবাসীকে সহ্য করেই যেতে হবে এবং কোন প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে গুমরে গুমরেই মরতে হবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব বা অন্য কেউ নন-স্বাস্থ্য অধিদফতরের চুক্তি ভিত্তিতে দু বছরের জন্য নিয়োগ প্রাপ্ত ডি.জি অধ্যাপক ডা: আবুল কালাম আজাদ সম্প্রতি একদিন সন্ধ্যা নামার কিছু আগে তাঁর পদত্যাগ পত্র দাখিল করলেন। কিন্তু চুক্তির মেয়াদ তখনও শেষ হয় নি। পরদিন ঐ পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে তাঁর চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়। নিয়োগ দেওয়া হয় নতুন একজন ডি.জি কে যথেষ্ট দ্রুততার সাতে।

এখন প্রশ্ন করি যদি, দু বছরের জন্য জনাব আজাদের চাকুরীর মেয়াদ বাড়িয়ে (চাকুরীর নিয়মিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবসরে যাওয়ার প্রাক্কালে) চুক্তি স্বাক্ষর তো বেশী দিন আগের কথা নয়। সম্ভবত: ২০১৯ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ঐ চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ডা. আবুল কালাম আজাদের চাকুরীর মেয়াদ বৃদ্ধি নিশ্চয়ই ঐ অধিদফতরে তাঁর গভীর প্রয়োজনীয়তার কারণেই করা হয়েছিল। হঠাৎ এমন কি ঘটলো যার জন্যে চুক্তিটি বাতিল করা হলো? তাঁর যা যা করণীয় মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী নির্দিষ্ট করে দিয়েছিলেন-তার সবটাই কি তিনি অতিশয় দ্রুততার ও সাফল্যের সাথে সমাপ্ত করে ফেলতে পেওেরছেন বলে ঐ চুক্তিটি মেয়াদ থাকতেই বাতলি করা হলো?

মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিষয়টি ব্যাখ্যা করে মানুষকে জানালে মানুষ হয়তো উদ্বেগ মুক্ত হতে পারতো। আশা করি, স্বচ্ছতার খাতিরে মাননীয় মন্ত্রী এই নিবন্ধটি প্রকাশের পর পরই সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবেন।

অনুরূপ প্রশ্ন স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল বিভাগ) কে ঘিরেও। তাঁকে অকস্মাৎ অব্যাহতি দেওয়া হলো। তবে কি তিনিও তাঁর নির্দেশিত সকল কর্তব্য যথাযথভাবে সম্পাদন করে ফেলেছেন বলেই তাঁর আর ঐ পদে থাকার প্রয়োজনীয়তা না থাকার কারণেই অব্যাহতি দিয়ে নতুন একজনকে ঐ পদে নিয়োগ দেওয়া হলো?

এইভাবে অব্যাহতি প্রদান মানুষের মনে বহু প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। তাই প্রশ্নগুলির যথাযথ উত্তর অতি সত্বর প্রয়োজন।
জনমনে আরও অসংখ্য প্রশ্নের ভীড়

এক. স্বাস্থ্য খাতে ব্যপক দুর্নীতির খবর দীর্ঘকাল ধরে গণমাধ্যম সমূহে প্রচারিত হচ্ছে এবং পুলিশ-র‌্যাবের অভিযানে ঐ খবরগুলি সত্য বলেও প্রমাণিত হচ্ছে। তাই স্বাস্থ্যমন্ত্রী, তাঁর মন্ত্রণালয়ের সহকর্মী আমলাদের (রুই-কাতলা) দায়-দায়িত্ব প্রশ্নাতীত। তাই দোষ স্বীকার করে নিয়ে বড় বড় রুই কাতলা সহকারে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী কি পদত্যাগ করে তাঁদের বিরুদ্ধে যাবতীয় অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের পথ সুগম করবেন?

বিশ্বাসযোগ্য তদন্তশেষে নির্দোষ প্রমাণিত হলে তিনি পুনরায় মন্ত্রীপদে বরিত হলে আপত্তি থাকবে না কিন্তু যদি তাঁর বিরুদ্ধে সমুদ্র প্রমাণ অভিযোগের কিছু অংশেরও সত্যতা মেলে তবে তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ মামলা দায়ের ও গ্রেফতার বরণ করতে কি রাজী থাকবেন?

দুই. রিজেন্ট জি কে জি ও ঐ জাতীয় যে যে হাসপাতাল-ক্লিনিকের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করুন। যদি আর কোন হাসপাতাল-ক্লিনিকের সাথে এমন চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে তারও তালিকা প্রকাশ করুন। যদি আর কোন হাসপাতাল-ক্লিনিকের সাথে এমন চুক্তি স্বাক্ষরিত না হয়ে থাকে তবে কোন মধুর কারণে এই বিশেষ দুটি হাসপাতালের সাথে চুক্তি করা হলো এবং তাদেরকে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের মর্য্যাদা দেওয়া হলো?

তিন. দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে বেড সংখ্যা মোট কত? ডাক্তার-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মী বেড অনুপাতে যথেষ্ট সংখ্যায় আছে কি না-তাঁরা ঠিকমত ডিউটি করেন কিনা-রোগীদেরকে সরবরাহ করা তিন বেলার খাবার মান সম্মত কি না-সরকারি হাসপাতালগুলিতে ভর্তি থাকা রোগীরা বিনামূল্যে ওষুধ পান কি না-এই বিষয়গুলি জানতে ও দেখতে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী আনুষ্ঠানিক-অনানুষ্ঠানিক (ঝঁৎঢ়ৎরংব) ভিজিট করেন কি না এবং করলে তাঁর নজরে সব ঠিকঠাক পড়ে কি না বা কোন দ্রুটি বিচ্যুতি চোখে পড়লে তার বিরুদ্ধে গৃহীত পদক্ষেপগুলিও প্রেস রিলিজ আকারে মিডিয়াতে পাঠিয়ে দেশবাসীকে প্রকৃত অবস্থা জানান হোক।

চার. বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলিতে রোগীরা যুক্তিসঙ্গত ব্যয়ে চিকিৎসা পাচ্ছেন না বলে বিস্তর অভিযোগ। কিন্তু আদৌ এ ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ গ্রহণের খবর কদাপি জানা যায় না। তবে কি বেসরকারি হাসপাতালগুলি তাদের ইচ্ছেমত টাকা আদায় করে রোগীদের বা তাদের অভিভাবকবৃন্দকে সর্বসান্ত করে যেতেই থাকবে অব্যাহতভাবে? তাদেরকে কি এ ব্যাপারে ও জি এল দেওয়া হয়েছে?

পাঁচ. এ অভিযোগ সর্বজনীন যে বাংলাদেশে জনসংখ্যা অনুপাতে হাসপাতাল, বেড, ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী প্রভৃতির সংখ্যা মারাত্মকভাবে কম। অপেক্ষাকৃত দরিদ্র রোগীরা ভর্তি হন সরকারি হাসপাতালগুলিতে। কিন্তু বহু রোগী আসন অভাবে দিনের পর দিন ঘুরেও ভর্তি হতে না পেরে অনেক ক্ষেত্রেই বাড়ীতে বা রাস্তায় বিনা চিকিৎসায় মারা যেতে বাধ্য হচ্ছেন। মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী, এ দায়িত্ব সরাসরি আপনার এবং আপনার মন্ত্রণালয়ের।

ছয়. হাসপাতাল, বেড, ডাক্তার, নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীর স্বল্পতা নিরসনে কেন নতুন নতুন হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করা হচ্ছে না, কেনই বা বিপুল এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার এই দেশে সকল জেলায় ২,০০০ বেড ও আনুপাতিক হারে আই সি ইউ, অক্সিজেন ও নানা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার প্রভৃতির ব্যবস্থা কেন করা হচ্ছে না?

সাত. সরকারি হাসপাতালগুলিতে রোগীরা বিনামূল্যে ওষুধ পেতে অধিকারী হলেও তারা তা পান না। কিন্তু টাকার বিনিময়ে পান হাসপাতালগুলির চারিদিকে গড়ে ওঠা অসংখ্য ছোট-বড় ওষুধের দোকানে। ঐ দোকানগুলি থেকে যে ওষুধ কিনতে বাধ্য করা হয় তার বিরাট অংশই নাকি হাসপাতালকে সরকারের কেন্দ্রীয় ওষুধ গোডাউন থেকে পাঠানো। এই অভিযোগ বারমাস এবং সর্বত্র উত্থপিত। কিন্তু এর উপযুক্ত তদন্ত, দোষীদের শাস্তি ও রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধ প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে আর কতোকাল লাগবে? এ বাবদে সরকারি বাজেটের পরিমাণ বাড়ানো প্রয়োজন হলে তা-ই বা করা হয় না কেন রোগীদের জীবনরক্ষার নিমিত্তে?

আট. মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রণালয় কোন মহান উদ্দেশ্যে করোনা টেষ্টের ফি ধার্য্য করে গরীব দেশবাসীর রোগ নির্ণয় অসম্ভব করে তুলে প্রতিদিনকার পরীক্ষা করা ব্যক্তির সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনলেন? এ যাবত মাত্র ১২ লাখ মানুষের টেষ্ট হয়েছে এবং দৈনন্দিন টেষ্টের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে কার স্বার্থে? মন্ত্রণালয় না কি মনে করে যে লক্ষণ না থাকলে কারও পরীক্ষার প্রয়োজন নেই-এ কথা কি কোন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলেছেন? সবাই বরং বলেছেন বিন্দুমাত্র সিমটম না থাকা বহু লোকের টেস্ট করে পজিটিভ রেজাল্ট এসেছে। তাই করোনা একটি ছোঁয়াচে এবং গায়েবী ও কিলার ভিজিজ। তাই অবিলম্বে করোনা পরীক্ষা ফ্রি করে দৈনিক সারা দেশ থেকে অন্তত: ৫০,০০০ মানুষের টেষ্টের ব্যবস্থা ও সকল জেলায় অবিলম্বে টেষ্টিং ল্যাব অন্তত: পাঁচটি করে প্রতিষ্ঠা করা হোক।

আনন্দ টিকবে তো?

নবনিযুক্ত ডিজি অধ্যাপক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমকে চিনি না। তবে শুনে আনন্দিত যে তিনি অত্যন্ত সৎ এবং প্রখ্যাত একজন রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী। তাই তাঁকে অকুণ্ঠচিত্তে স্বাগত ও অভিনন্দন জানাই।

সাথে সাথেই শংকা প্রকাশ করি, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতর নামক দোজখ খানায় বহুদিনের লালিত শক্তিশালী সিন্ডিকেটের গায়ে হাত দিলে তিনি কি টিকতে পারবেন? এ এক মস্ত চ্যালেঞ্জ যা মোকাবিলা করতে হলে কোন মলমে হবে না-প্রয়োজন হবে মেজর অপারেশনের। তিনি তো সার্জারীর লোক-তাই আশাবাদ পোষণ করতে চাই।

পুনর্বার দাবী করি স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও রাঘব বোয়ালদের এবং পূর্ব বর্ণিত ধোয়া তুলসীপাতাদের অবিলম্বে বিদেয় দিয়ে সৎ দের যাত্রাপথ নিষ্কন্টক করা হোক।

লেখক : সভাপতিমন্ডলীর সদস্য, ঐক্য ন্যাপ।