ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১ শ্রাবণ ১৪৩১

প্রচ্ছদ » জাতীয় » বিস্তারিত

রাজধানীবাসী প্রতিদিন ওয়াসার নিরাপদ পানি পাচ্ছে : সমবায়মন্ত্রী

২০২৪ জুন ১১ ১৯:০৩:৩৮
রাজধানীবাসী প্রতিদিন ওয়াসার নিরাপদ পানি পাচ্ছে : সমবায়মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার : বর্তমানে শতভাগ রাজধানীবাসী সাতদিন ২৪ ঘণ্টা ঢাকা ওয়াসার নিরাপদ পানি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। মঙ্গলবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারীর প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরবাসীকে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে ঢাকা ওয়াসা ২০১৪ সালে ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করেছে। মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ইতোমধ্যে ৫টি পানি শোধনাগার হতে নগরীতে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে, যা বর্তমান চাহিদার ৩৪ শতাংশ। অবশিষ্ট চাহিদার ৬৬ শতাংশ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে গভীর নলকূপের মাধ্যমে। মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী আরও দুইটি পানি শোধনাগার নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এই দুটি প্ল্যান্ট চালু করা হলে ৬৭ শতাংশ পানি ভূ-উপরস্থ উৎস হতে সরবরাহ করা হবে। ফলে ভূ-গর্ভস্থ পানির উপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। বর্তমানে শতভাগ নগরবাসী সাতদিন ২৪ ঘণ্টা ঢাকা ওয়াসার নিরাপদ পানি পাচ্ছে।

তিনি জানান, ঢাকা শহরে নিরাপদ পয়ঃব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকা ওয়াসা ২০১৩ সালে স্যুয়ারেজ মান্টার প্ল্যান প্রণয়ন করেছে, যার আওতায় ইতোমধ্যে পাগলা পয়ঃশোধনাগারের আপগ্রেডেশনের কাজ চলমান আছে এবং দাশেরকান্দি পয়ঃশোধনাগারের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট তিনটি (উত্তরা, মিরপুর ও রায়েরবাজার) পয়ঃশোধনাগারের নির্মাণ কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে।

নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের যৌথ জরিপ প্রতিবেদন ‘মাল্টিপল ইনডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে, ২০১৯’ অনুযায়ী- দেশের মোট জনসংখ্যার ১১ ভাগ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে।

আর্সেনিকের কবল থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর আওতায় ২০২৫ সালের মধ্যে ১০ লাখ ৬৫ হাজার আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপন করা হবে। এক্ষেত্রে গভীর নলকূপ ছাড়াও পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং পুকুর খনন ও পুনঃখননসহ সৌরচালিত পন্ড স্যান্ড ফিল্টার স্থাপন করা হবে। এতে ২০২৫ সালের মধ্যে আর্সেনিক দূষণ ঝুঁকি ৫-৬ ভাগে নেমে আসবে।

সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

(ওএস/এসপি/জুন ১১, ২০২৪)