ঢাকা, বুধবার, ১০ আগস্ট ২০২২, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯

প্রচ্ছদ » মুক্তচিন্তা » বিস্তারিত

স্বাচিপ আমাদের প্রাণের সংগঠন

২০১৪ ডিসেম্বর ২৪ ১১:০৬:২২
স্বাচিপ আমাদের প্রাণের সংগঠন

ডা. সুব্রত ঘোষ : স্বাধীনতা অর্জনের দুই দশকের বেশি অতিক্রান্ত হবার পরও স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস বিকৃত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিষ্প্রভ এবং মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি ক্ষমতা ও ক্ষমতার বাহিরে পুনর্বাসিত। এই অবস্থায় মহান মুক্তিযুদ্ধে পেশাজীবিদের মধ্যে সর্বোচ্চ আত্মদানকারী চিকিৎসক সমাজ বসে থাকতে পারে না। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে বাঙ্গালী জাতি যে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনোছিল তাকে সুসংহত করতে এবং জনস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণসহ চিকিৎসকদের স্বার্থ সংরক্ষনের লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের চিকিৎসকবৃন্দ সংগঠিত হবার চেষ্টা করে আসছিল অনেক দিন ধরেই। তবে স্বাধীনতা উত্তর বঙ্গবন্ধু সরকার জনগণের মৌলিক অধিকার চিকিৎসাকে সুনিশ্চিত এবং সহজলভ্য করার লক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে চিকিৎসকদেরকে প্রথম শ্রেণীতে উন্নতীকরণ, ইনসার্ভিস ট্রেইনী প্রথা প্রবর্তন, থানা স্বাস্থ্য চিকিৎসা প্রকল্প গঠন এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণসহ আন্যান্য প্রকল্প গ্রহনের মাধ্যমে যে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন; বঙ্গবন্ধুর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নের সে গতি ধারা ব্যহত হয় এবং চিকিৎসা পেশার মান ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় অনেকাংশেই।

১৯৯৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর। স্বাধীনতার স্বপক্ষের অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সমমনা চিকিৎসকদের নিয়ে জন্ম নিল স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ। সেই সাথে জন্ম নিল নতুন সম্ভাবনা- চিকিৎসকদের নতুন করে উজ্জীবিত হবার স্বপ্ন। চিকিৎসকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন হলো বেগবান। শুধু চিকিৎসা ক্ষেত্রেই নয় সমাজের যেসব জায়গায় যেসকল অশুভ শক্তি হানা দিয়েছে বার বার স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের অকুতোভয় চিকিৎসকরা লড়াই করেছে বাংলার গণ মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষে। অন্তরে তাদের বজ্র কঠিন শপথ-জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়েও লড়ে যাব বাংলাদেশের স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য, বাংলার মেহনতি মানুষকে হায়নার হিংস্র ছোবল থেকে রক্ষা করারা জন্য। আর সেই বিবেচনায় সংগঠনটির নামকরণ স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) যথার্থ।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে চিকিৎসা সেবাকে গণ মানুষের কাছে সহজতরভাবে পৌঁছে দেবার প্রত্যয়ে এবং একতাবদ্ধভাবে চিকিৎসকদের দাবি ও অধিকার আদায়ের জন্য সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ গড়ার দীপ্ত শপথ নিয়ে সর্বজন শ্রদ্ধেয় মরহুম অধ্যাপক ডা. এম এ কাদেরীকে সভাপতি এবং চিকিৎসক সমাজের সংগ্রামী নেতা বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের একাধিকবাব নির্বাচিত মহাসচিব মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন কে মহাসচিব করে প্রথম কমিটি গঠিত হয় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে এক সম্মেলনের মাধ্যমে। তারপর থেকে আজিজ সুপার মার্কেটের একটি কক্ষে সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হতো। এর পর শুধু সামনের দিকে পথচলা। বর্তমানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সফল স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী আধ্যাপক ডা. আফম রুহুল হক এম পি সংগঠনটির সভাপতি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বেসিক সাইন্স ফ্যাকাল্টির ডীন ও বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ২০০৩ সাল থেকে। ১৩/২ বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়কের (২৯০/১ সোনারগাঁ সড়ক) ৪র্থ তলায় ২০০১ সাল থেকে সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে একটি গণমুখী স্বাস্থ্যনীতি প্রনয়নের মাধ্যমে ডিজিটাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা প্রনয়ন এবং ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। সংগঠনটির ব্যাপ্তি বর্তমানে দেশের সবকয়টি জেলাতেই। এছাড়া দেশের সরকারি মেডিকেল কলেজগুলো, বিশেষায়িত হাসপাতাল ও ইনিস্টিটিউটগুলো এবং দেশের একমাত্র চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়েও সংগঠনটির শাখা রয়েছে। বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতেও সংগঠনটির প্রসার আমাদেরকে আশান্বিত করে। সব মিলিয়ে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ স্বাধীনতার পক্ষের চিকিৎসকদের আশা আকাঙ্খার প্রতীক হয়ে উঠছে দিন দিন। সংঠনটির প্রতীক : জাতীয় স্মৃতিসৌধকে পিছনে রেখে সম্মুখে লাঠি জড়ানো সাপ যেটা চিকিৎসকদের প্রতীক।

সংগঠনটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
*এটি একটি পেশা ভিত্তিক অলাভজনক সংগঠন।
*স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত করার লক্ষ্যে চিকিৎসকদের এবং জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা।
*স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস সর্বসমক্ষে তুলে ধরতে সহায়তা করা।
*চিকিৎসা বিজ্ঞান ও ইহার সহযোগী বিজ্ঞান সমূহের উৎকর্ষ সাধন করা।
*চিকিৎসা পেশার সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা এবং সদস্যদের স্বার্থ, অধিকার ও সুযোগ সুবিধা রক্ষা করা এবং জাতীয় ও ব্যক্তি জীবনে পেশাগত নৈতিক সামাজিক ও পেশাগত কারণে রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনে সদস্যদের উদ্বুদ্ধ করা।
*সবার জন্য স্বাস্থ্য সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রচারনা, স্বাস্থ্য সাময়িকী প্রকাশনা, চিকিৎসা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও তৎসংক্রান্ত গবেষণার লক্ষে পদক্ষেপ গ্রহন করা।
*জনগণের চিকিৎসার স্বার্থে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান এবং জরুরী অবস্থায় মেডিকেল টিম গঠনে সহায়তা করা।
*চিকিৎসা পেশার ব্যক্তিবর্গ বিশেষ করে নতুন যারা এই পেশায় প্রবেশ করেছেন তাদের পেশার উন্নয়নে সাহয্য প্রদান করা।

সংগঠনটিতে উপদেষ্টা হিসেবে আছেন বাংলাদেশের প্রথিতযশা কয়েকজন চিকিৎসক যাঁরা স্ব স্ব ক্ষেত্রে দিকপাল হয়ে আছেন। উপদেষ্টা পরিষদে আছেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এম এস আকবর এম পি, অধ্যাপক ডা. এম এ মান্নান এম পি, বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির সভাপতি সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যপক ডা. এম আমান উল্লাহ এম পি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অব.) ডা. মজিবুর রহমান ফকির এমপি, অধ্যাপক ডা. আনোয়ারুল আজীম, অধ্যাপক ডা. আসাদুল হক খান, অধ্যাপক ডা. আনোয়ার আলম, নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক অধ্যাপক ডা. কাজী শহীদুল আলম, বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার নেটওয়ার্কের পরিচালক মুক্তিযোদ্ধা ডা. সি এম দিলওয়ার রানা, ডা. আবু বকর সিদ্দিক, ডা. এম আর ভূঁইয়া, প্রবীন চিকিৎসক নেতা ডা. কে এম শফিউল আলম বাদশা এবং ডা. সৈয়দ দিদারুল হক।

সংগঠনটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে আছেন বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাক-কান-গলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবু সফি আহমেদ আমিন (ঢাকা মহানগর), বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়নস এন্ড সার্জনস্ এর অনারাবি সেক্রেটারি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জারী অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়–য়া (ঢাকা বিভাগ), খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা ও ট্রাস্টি সম্পাদক ১৯৭১ : গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভস ও জাদুঘর ট্রাস্ট ডা. শেখ বাহারুল আলম (খুলনা বিভাগ), ডা. মো আবুল কালাম (রাজশাহী বিভাগ), ডা. মো নুরুল ইসলাম (চট্টগ্রাম বিভাগ), স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. ইহতেশামুল হক চৌধুরী দুলাল (সিলেট বিভাগ), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেন্টাল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. মো. আলী আসগর মোড়ল (বরিশাল বিভাগ), ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন (রংপুর বিভাগ)।

যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে আছেন একাত্তরের শহীদ কন্যা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপোষহীন কন্ঠস্বর ডা. রোকেয়া সুলতানা এবং ত্যাগী নেতা বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল প্রাকটিশনার্স এসোসিয়েশনের মহাসচিব ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে আছেন নিভৃতচারী, ত্যাগী ও দু:সময়ের কা-ারী হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ডা. ফরহাদ হাসান জোয়ারদার।

সংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে আছেন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ ও সরকারি ঔষধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগ কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল) -এর ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ডা. এহসানুল কবির জগলু (ঢাকা মহানগর), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (পরিকল্পনা) ডা. আবু নাসার রিজভী (ঢাকা বিভাগ), ডা. এস এম জালাল উদ্দিন (খুলনা বিভাগ), ডা. মো. তবিবুর রহমান শেখ (রাজশাহী বিভাগ), ডা. মহসিনুজ্জামান চৌধুরী (চট্টগ্রাম বিভাগ), ডা. মো. শাব্বির হোসেন খান (সিলেট বিভাগ), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাক-কান-গলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জহুরুল হক সাচ্চু (বরিশাল বিভাগ), বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ডা. মোস্তফা আলম নান্নু (রংপুর বিভাগ) এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক ও জাতীয় হৃদরোগ ইনিস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জুলফিকার আলী লেনিন (অল্টারনেট মেডিসিন)।

দপ্তর সম্পাদক হিসেবে আছেন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ এবং রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি অধ্যাপক ডা. চিত্ত রঞ্জন দাস, সহ-দপ্তর সম্পাদক হিসেবে আছেন বারডেম হাসপাতালের এ্যানেসথেশিওলজী বিভাগের চিকিৎসক ও পেইন ম্যানেজমেন্ট বিশেষজ্ঞ ডা. কাউসার সরদার। বিজ্ঞান বিয়ষক সম্পাদক হিসেবে আছেন ইউনাইটেড হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. কায়সার নাসরুল্লাহ খাঁন, সহ-বিজ্ঞান বিয়ষক সম্পাদক হিসেবে আছেন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের কার্যকরী সদস্য ও জাতীয় হৃদরোগ ইনিস্টিটিউটের সহকারি অধ্যাপক ডা. কাজল কুমার কর্মকার। প্রচার সম্পাদক হিসেবে আছেন জাতীয় হৃদরোগ ইনিস্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জারী বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান মিলন, সহ-প্রচার সম্পাদক হিসেবে আছেন ডা. মো. রেজাউল আমিন টিটু। গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে আছেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক পরিচালক ডা. বায়জীদ খুরশীদ বিয়াজ, সহ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে আছেন ডা. অসীম কুমার সেনগুপ্ত। সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হিসেবে আছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি ডা. মো. আবু ইউসুফ ফকির, সহ-সমাজ কল্যান সম্পাদক হিসেবে আছেন ডা. এইচ এম মুস্তাফিজুর রহমান মির্জন। সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে আছেন তরুণ প্রজন্মের উদীয়মান চিকিৎসক নেতা বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের রেসপিরেটরী মেডিসিন বিভাগের প্রধান এবং উপ-পরিচালক অধ্যাপক ডা. উত্তম কুমার বড়–য়া, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে আছেন ডা. মো. ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী। ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে আছেন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের আপ্যায়ন ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ডা. নীহার রঞ্জন সরকার, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে আছেন ডা. বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস। আইন ও পরিবেশ সম্পাদক হিসেবে আছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি নাক-কান-গলা বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডা. দেবেশ চন্দ্র তালুকদার, সহ-আইন ও পরিবেশ সম্পাদক হিসেবে আছেন ডা. বিল্লাল হোসেন। তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে আছেন ডা. খন্দকার আহমেদুল হক জোসেফ, সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে আছেন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের কার্যকরী সদস্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের সার্জারী বিভাগের চিকিৎসক ডা. মো. আলাউদ্দীন। মানব সম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক হিসেবে আছেন ডা. মাহফুজ উল্লাহ চিশতি, সহ-মানব সম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক হিসেবে আছেন খুলনা মেডিকেল কলেজের অর্থোপেডিক বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডা. মেহেদী নেওয়াজ। আন্তর্জাতিক সম্পাদক হিসেবে আছেন এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন ত্যাগী সদস্য ইনিস্টিটিউট অব চাইল্ড এন্ড মাদার হেলথের যুগ্ম পরিচালক ও ল্যাব মেডিসিন বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. অনুপ কুমার সাহা, সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক হিসেবে আছেন ডা. মুহাম্মদ হোসেন পাঠান। ছাত্র ও চিকিৎসা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ও বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সমাজ কল্যাণ সম্পাদক ডা. সোহেল মাহমুদ, সহ-ছাত্র ও চিকিৎসা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ডা. রাজীবুল হক রনী।

৫৫ সদস্য বিশিষ্ট স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্যরা হলেন- ডা. মো. শফিকুর রহমান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের কার্যকরী সদস্য, বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল প্রাকটিশনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি ও হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দু:সময়ের পরিক্ষিত সৈনিক অধ্যাপক ডা. মো. মনিরুজ্জামান ভূইয়া, ডা. ইউনুস আলী সরকার, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিক ডা. বদিউজ্জামান ভূইয়া ডাবলু, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীনতা চিকিৎক পরিষদের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চক্ষু বিভাগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবং ডীন, প্রিভেনটিভ এন্ড সোস্যাল মেডিসিন অনুষদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের যুগ্ম মহাসচিব তরুণ প্রজন্মের জনপ্রিয় নেতা অধ্যাপক সিরজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মো. আব্দুল আজিজ, ডা. পারভীন সুলতানা, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি, জনতা ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক ডা. মো. আব্দুর রউফ সরদার, ডা. সেলিম আহমদ, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আ স ম জাহাঙ্গীর চৌধুরী টিটো, ডা. আ ন ম নৌশাদ খান, ডা. কাজী মোস্তফা সারোয়ার, ডা. শহীদুজ্জামান হারুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডীন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ইসমাইল খান, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ডা. এম নজরুল ইসলাম, ডা. সরফরাজ খান চৌধুরী, ডা. মো. মতিউর রহমান ভূঞা, ডা. এইচ. এ. গোলন্দাজ, ডা. আ. ন. ম. ফজলুল হক পাঠান, ডা. মো. আব্দুল আওয়াল, ডা. মোসাদ্দেক আহমেদ, ডা. সিদ্দিকুর রহমান, পঙ্গু হাসপাতাল ও পুনর্বাসন ইনিস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. আবুল গণি মোল্লাহ, ডা. এম. এ রশীদ মানিক, ডা. মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, ডা. এস. এম. মজুমদার নিজাম, ডা. আশিষ কুমার বণিক, ডা. হুমায়ন কবীর বুলবুল, ডা. সাইফুল করিম, ডা. উত্তম কর্মকার, ডা. কাজী শফিকুল হালিম জিম্মু, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. আসাদুজ্জামান খান রিন্টু, ডা. মো. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী, ডা. মো. আশিকুর রহমান মজুমদার, ডা. বিপ্লব পলিত, ডা. মো. শফিকুর রহমান, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনিস্টিটিউটের প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. রেজানুর রহমান, ডা. নিরুপম চৌধুরী, ডা. পার্থ শংকর পাল, ডা. মো. আতাউল হক, তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, গাজীপুরের এ্যানেসথেশিওলজী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সাবেক কার্যকরী সদস্য ডা. মো. আমীর হোসাইন রাহাত, ডা. মো. মাহবুবুর রহমান কচি, ডা. সৈয়দ সফিকুল আলম, ডা. সৈয়দ ইবনে সাঈদ, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সাবেক কার্যকরী সদস্য ডা. এম. এ. মান্নান, ডা. শেখ শফিউল আজম, ডা. মোহাম্মদ নাজমুল হাসান চৌধুরী, ডা. মো. আহাদ আলী, ডা. শাহাদাত হোসেন রিপন, ডা. মির্জা নাহিদা হোসেন বন্যা, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ডা. আহসান হাবীব হেলাল এবং ডা. চৌধুরী মো. এহসানুল খালেক।

এছাড়া স্বাধীনতা চিকিৎক পরিষদের বিভিন্ন কমিটিতে থাকা উল্লেখযোগ্য চিকিৎসকরা পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি, সন্ধানী চক্ষুদান সমিতির সভাপতি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্টর ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডা. এ এস এম জাকারিয়া স্বপন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক অতিরিক্ত পরিচালক এবং বর্তমান পরিচালক (হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট) ডা. জামালউদ্দিন খলিফা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারি পরিচালক বাংলাদেশ আওয়ামী যুব লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. মেখলেস-উস-জামান হিরো, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. খান আবুল কালাম আজাদ, সরকারি মেডিকেল শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. চৌধুরী মোহাম্মদ আলী, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের নাক-কান-গলা বিভাগের অধ্যাপক ও উপাধ্যক্ষ ডা. দৌলতুজ্জামান, নারায়নগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভি, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল, ঢাকা শিশু হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. আব্দুল আজিজ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডা. এ কে এম জাফরউল্লাহ, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের কার্যকরী সদস্য জাতীয় হৃদরোগ ইনিস্টিটিউটের ডা. মাহবুবুর রহমান বাবু, জাতীয় ক্যান্সার গবেষনা ইনিস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. সামিউল ইসলাম সাদি, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ডা. এম. এ. হাশেম, ডা. মো. মুজিবুর রহমান ভূঁইয়া আঙ্গুর, ডা. মুনীরুজ্জামান সিদ্দিকী, ডা. মোহাম্মদ শরীফ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেজিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরো সার্জন সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ হোসেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওলজীর কনসালট্যান্ট ডা. আরিফুল ইসলাম জোয়ারদার টিটু, রেড ক্রিসেন্ট ব্লাড ব্যাংকের পরিচালক ও শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ, বরিশালের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ডা. তারেক মেহেদী পারভেজ, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের শিশুরোগ বিভাগের চিকিৎসক ডা. এ টি এম রফিক উজ্জ্বল, পঙ্গু হাসপাতাল ও পুনর্বাসন ইনিস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের কার্যকরী সদস্য ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, তারুণ্যের অহংকার নতুন প্রজন্মের চিকিৎসক সমাজের নেতা ইব্রাহীম কার্ডিয়াক হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জন এবং বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের পরিচালক সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না প্রমুখ।

এছাড়া সারা দেশে কয়েক হাজার মুজিব আদর্শের চিকিৎসক আছেন যারা কিনা স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের বিভিন্ন কমিটির সদস্য। স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের প্রবীন সদস্যরা অধিকাংশই কোন না কোনভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধের সাথে জড়িত ছিলেন। কেউবা হাতে তুলে নিয়েছিলেন অস্ত্র, কেউবা আমাদের মুক্তিসেনাদের চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন, কেউবা আশ্রয় আর খাবারের জোগান দিয়েছেন; আবার যারা কিছুই করেননি তারা অন্তত প্রাণ ভরে মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যান আর সাফল্য কামনা করে প্রার্থনা করেছেন সৃষ্টিকর্তার কাছে দু হাত তুলে। তরুণ প্রজন্মের স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সদস্যগনের অধিকাংশই কোন না কোনভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের অথবা শহীদদেরই উত্তরসুরি।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের এক একটি সদস্য যারা কিনা সকলেই চিকিৎসক প্রত্যেকেই এক এক জন খাঁটি দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের আপোষহীন সৈনিক। বুকে তাদের অদম্য সাহস আর দুর্নীতি-অবিচারকে প্রত্যাক্ষানের অবিচল মানসিকতা। স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ যেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নেরই প্রতিফলন। চিকিৎসা সেবাই নয় দেশের বিভিন্ন ক্রান্তিলগ্নে আন্দোলনের মাধ্যমে সত্য আর ন্যায়কে প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ অনেক সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সপরিবারে হত্যার বিচার, জাতীয় চার নেতার জেল হত্যার বিচার, বিভিন্ন সময়ে দেশে অপশক্তি দ্বারা মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যার বিচার, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার, বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনকল্পে দেশে মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক শক্তির অপকর্ম, নাশকতার বিচার, ১/১১ এর পর অঘোষিত সামরিক জান্তাদের হাতে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আটক জাতির জনক কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার মুক্তি চেয়ে রাজপথে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ আন্দোলন, অনশন ও মানববন্ধন করেছে বারবার। বাঙালী জাতির কল্যাণে মুক্তির ডাকে আজও এই আন্দোলন-সংগ্রাম অব্যহত রেখেছে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ যা থাকবে ভবিষ্যতেও।

সংগঠনটির সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান, বিশেষ বিশেষ দিবসে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী, গরীব ও দুস্থ রোগীদের মাধ্যে বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ, বাংলাদেশের জাতীয় দিবসগুলোতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা, শীতার্তদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ গুলোতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় চিকিৎসা সেবা প্রদান ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ, জাতীয় দিবসগুলোতে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন, বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা ও লিফলেট বিতরণ।

কালের পরিক্রমায় সংগঠনে নতুন নেতৃত্ব আসবে এটাই প্রকৃতির চিরায়িত নিয়ম। নেত্বত্ব পরিবর্তন হবে, পরিবর্তন হবে না আদর্শের। সেই আদর্শ যে আদর্শ দেশপ্রেমের কথা বলে- দেশের মানুষকে ভালবাসতে শেখায়। চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে উজাড় করে বাাংলাদেশের প্রতিটি মানুষকে আধুনিক চিকিৎসা সেবা দেবার মহান ব্রত নিয়ে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের প্রতিটি সদস্যের যে পথচলা তা থেকে যাবে চিরকাল। জন্মদিনের প্রাক্কালে বাংলার মেহনতি আপামর মানুষের ভালবাসায় সিক্ত হোক স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ। জয়তু স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ।

লেখক : কলামিস্ট, সংগঠক, সমাজকর্মী ও চিকিৎসক
ইমেইল[email protected]