ঢাকা, শনিবার, ২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রচ্ছদ » মুক্তচিন্তা » বিস্তারিত

আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির স্বপ্নদ্রষ্টা কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

২০২৩ আগস্ট ০৭ ১১:০৭:২৫
আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির স্বপ্নদ্রষ্টা কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

গোপাল নাথ বাবুল


কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু একজন নোবেল জয়ী বিশ্বকবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, গীতিকার, সুরকার, ছোট গল্পকার হিসেবে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেন নি, তিনি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির রূপকার হিসেবে তখনকার সময়ে কৃষকের দোরগোড়ায় আধুনিক ও লাগসই কৃষি প্রযুক্তি পৌঁছে দেন। ১৮৯১ সালে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পিতার নির্দেশে পারিবারিক জমিদারি দেখাশোনা করার জন্য শিলাইদহ-শাহজাদপুর-পতিসর অঞ্চলে গিযেছিলেন। সেখানে তিনি এক নাগাড়ে প্রায় দশ বছর ছিলেন। তখন এসব অঞ্চলে সামন্ততান্ত্রিক ভূমি ব্যবস্থার প্রচলন ছিল। এ ব্যবস্থায় গ্রামবাসীর জীবন ও জীবিকা দুইই বিপন্ন হয়ে পড়েছিল। করের ভারে ও ঋণের চাপে প্রজাদের জীবন ছিল জর্জরিত। সেখানকার দুঃখী কৃষক ও মানুষদের দারিদ্রতা দেখে তিনি খুবই মর্মাহত হন। তিনি লক্ষ্য করেছিলেন, কীভাবে গ্রামের প্রান্তিক কৃষকদের জীবন স্থানীয় মহাজনদের ঋণের বোঝায় দুর্বিসহ হয়ে ওঠেছিল। আরও লক্ষ্য করেছিলেন, সেখানকার পতিত জমি, একফসলি ও অনুর্বর জমিসহ কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির কোনো প্রকার ছোঁয়া নেই। সবই চলছে গতানুগতিকভাবে। তিনি মনে মনে প্রতিজ্ঞা করেন, এদের দারিদ্র্য দূর করতে হবে। তাই কৃষি ও কৃষকদের উন্নতির জন্য তাঁর পরিকল্পনা রূপায়ণে পদক্ষেপও গ্রহণ করেছিলেন। শিলাইদহ, পতিসর অঞ্চলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর পল্লীসংগঠন প্রকল্প, শান্তিনিকেতন ও শ্রীনিকেতনে কৃষি ও হস্তশিল্পের মাধ্যমে স্বনির্ভর উদ্যোগের ক্ষেত্রে এক নতুন পথ রচনা করেছিলেন।

এ বিষয়ে তিনি তাঁর ‘সমবায়’ নামক প্রবন্ধে লিখেছেন, “যাহাদের মনে ভরসা নাই…তাহাদিগকে ভিক্ষা দিয়া শুশ্রুষা করিয়া কেহ বাঁচাইতে পারে না। ইহাদিগকে বুঝাইয়া দিতে হইবে, যাহা একজনে না পারে তাহা পঞ্চাশজনে জোট বাঁধিলেই পারে”।

কবিগুরু আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির প্রথম দর্শন লাভ করেন তাঁর রাশিয়া ভ্রমণের মধ্য দিয়ে। তিনি রাশিয়ার কৃষি খামারে কর্মরত কৃষকের কর্মনিষ্ঠা আর আত্ম প্রত্যয়ে মৃগ্ধ হয়েছিলেন। তিনি বিস্ময়ে অভিভূত হয়েছিলেন রাশিয়ার কৃষকের অসাধারণ উদ্যাম আর উদ্ভাবন দেখে। তাই তিনি দরিদ্র ও অসহায় কৃষকদের সংঘঠিত করতে সমবায়ের ওপর জোর দেন এবং কৃষির সাথে সমবায়কে যুক্ত করে কৃষকের অর্থনৈতিক মুক্তির পথ বাতলে দেন। তিনি ভেবেছিলেন, যদি সমবায়ের মাধ্যমে সব কৃষক একসঙ্গে মিলে চাষাবাদ করত তবে ফলন বেশি হত, গোলাজাত করতে খরচ কম হত এবং শস্য বিক্রিও হত বেশি দামে। মোট কথা-গ্রামীন জনপদে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের যে দৃষ্টিভঙ্গি তার প্রায় সিংহভাগই ছিল কৃষিকে ঘিরে। তাই গরীব প্রজাদের কথা ভেবে তিনি নজর দিয়েছিলেন গ্রাম বাংলার কৃষির উন্নয়নে। তিনি কৃষির আধুনিকায়নের মাধ্যমে কৃষকের মুক্তির পথ খুঁজেছিলেন। পিতৃপুরুষের জমিদারি তদারকি আর লেখালেখির মধ্যে দিয়েও তাঁর অন্তর্দৃষ্টি বাংলার কৃষকের কর্মকান্ডকে ছুঁয়ে গিয়েছিল। তাই তিনি অবিভক্ত বাংলার কৃষি আর কৃষকের দুরাবস্তার কথা হৃদয়ের আকুতি দিয়ে লিখেছিলেন, “আমাদের কৃষক একদিকে মূঢ়, আর একদিকে অক্ষম; শিক্ষা আর শক্তি দুই দিক থেকেই বঞ্চিত”।

কবিগুরুর কাছে কৃষির উন্নতি একটা নেশার মতো ছিল। প্রজাসাধারণ যাতে ঠিকভাবে নিয়মিত খাজনা দিতে পারার কথা ভেবে কৃষকের কৃষি উৎপাদন ও কৃষি প্রযুক্তির উন্নয়ন ঘটানো আবশ্যক। এজন্য তিনি জমিদারি দেখার দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রবল উদ্যমে শিলাইদহের কুটিবাড়ি সংলগ্ন এলাকার পঞ্চাশ বিঘা জমিতে শুরু হয়েছিল আলুর চাষ। মাদ্রাজ থেকে সরু চালের বীজ, আমেরিকা থেকে ভুট্টার বীজ এনেছিলেন। তাছাড়া কপি, শিম, মটর ইত্যাদি চাষের জন্য পাবনা-কৃষ্টিয়াসহ সমগ্র বাংলার মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। তিনি কুষ্টিয়ায় চাষ উপযোগীতার কথা বিবেচনা করে ইক্ষু চাষের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন এবং উৎপাদিত ইক্ষু মাড়াইয়ের জন্য মাড়াই কল স্থাপনেরও উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কবিগুরু এক ফসলি জমির পরিবর্তে দুই বা তিন ফসলি করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি রাসায়নিক সার, আধুনিক যন্ত্রপাতি উন্নতজাতের উচ্চফলনশীল বীজ আমদানীর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। কৃষি বিশারদ কবি ও নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায় কুষ্টিয়া থেকে আলুক্ষেত পরিদর্শনে আসতেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে এ বিষয়ে পরামর্শ দিতেন।

এতকিছুর পরেও দেখা গেল, ফলন ভালো হয়নি। কিন্তু কবিগুরু তাতে দমে যাননি। তিনি জগদীশচন্দ্র বসুকে একটি চিঠিতে লিখেছিলেন, “আমার চাষবাসের কাজও মন্দ চলিতেছে না। আমেরিকান ভুট্টার বীজ আনাইয়াছিলাম, তাহার গাছগুলা দ্রুতবেগে বাড়িয়া উঠিতেছে। মাদ্রাজী সরু ধান রোপণ করাইয়াছি, তাহাতেও কোন অংশে নিরাশ হইবার কোন কারণ দেখিতেছি না”।

তিনি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তিকে কৃষিক্ষেত্রে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে তাঁর নিজের ছেলে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বন্ধুর ছেলে সন্তোষ মজুমদার এবং মেয়ের জামাই নগেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়কে ১৯০৬ সালে কৃষি ও গবাদি পশু পালনে উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিয়নস বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়েছিলেন।

তিনি তাদের লিখেছিলেন, “তোমরা দুর্ভিক্ষপীড়িত প্রজার অন্নগ্রাসের অংশ নিয়া বিদেশে কৃষি শিখিতে গিয়াছ, ফিরিয়া আসিয়া এই হতভাগ্যদের অন্নগ্রাস কিছু পরিমাণেও যদি বাড়াইয়া দিতে পার তাহাতে ক্ষতিপূরণ হইলে মনে স্বান্তনা পাইব। মনে রাখ, জমিদারের টাকা চাষির টাকা এবং এই চাষিরাই তোমাদের শিক্ষার ব্যয়ভার নিজেরা আধপেটা খাইয়া এবং না খাইয়া বহন করিতেছে। তাহাদের এই ঋণ শোধ করিবার দায় তোমাদের ওপর রইল, নিজেদের সাংসারিক উন্নতির চেয়েও এইটেই তোমাদের প্রথম কর্তব্য হইবে”।

রথীন্দ্রনাথ ফিরে এসে পিতার কথাকে মান্যতা দিয়ে যুক্ত হন পতিসরে কৃষি সংস্কারের কাজে। শিলাইদহের কুঠিবাড়ি এলাকাতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করে তিনি ৮০ বিঘা জমির ওপর একটি আদর্শ কৃষিখামার গড়ে তোলেন এবং একটি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করেন। তিনি কলকাতার শ্রীনিকেতনে বনায়ন এবং আধুনিক আবাদের জন্যে বীজ ও ফলের চারা সরবরাহ করেন। হালচাষ করার জন্য দেশি গরুর স্থলে তিনি সিন্ধি ও মুলতানী গরু আমদানী করেন, কৃষি যান্ত্রিকীকরণের জন্য পতিসরে কলকাতা থেকে ৭টি বিদেশি কলের লাঙ্গল নিয়ে আসেন এবং পোল্ট্রি পালন সম্প্রসারণের জন্যে উন্নতজাতের মুরগীও আমদানী করেন।

কবিগুরু পতিসরের অনুর্বর জমিতে আনারস, কলা, খেজুর প্রভৃতি ফলের গাছ লাগানোর জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করতে পুত্রকে বলেছিলেন। অনুর্বর জমিতে খেসারির চাষ করলে ভালো ফলন হয়। অষ্ট্রেলিয়ার কোন গাছটি গরুর খাদ্য, এসব তথ্য কবিগুরু দিতেন রথীন্দ্রনাথকে।

ওইসময় বাড়িতে ফসল নিয়ে আসার আগেই কর্জ বা দাদনের টাকা শোধে ফুরিয়ে যেত কৃষকদের আয়। আর পরিবার-পরিজনদের নিয়ে আধপেটা খেয়ে থাকতে হত কৃষকদের। তাই কবিগুরু মহাজন এবং জমিদারদের কবল থেকে সহজ-সরল কৃষকদের বাঁচাতে স্বল্প সুদে ক্ষুদ্রঋণের কথা মাথায় রেখে ১৮৯৪ সালে শিলাইদহে প্রথম কৃষি ব্যাংক স্থাপন করেন। পরবর্তীকালে ১৯০৪ সালের দিকে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন সমবায় ব্যাংক। এরপর মহাজনী ঋণের ফাঁদে আটকা পড়া দরিদ্র কৃষকদের মুক্তির লক্ষ্যে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ শুরু করেন। ১৯১৩ সালে নোবেল পদকের সঙ্গে প্রাপ্ত ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা তার মূলধনে যোগ হওয়ায় কৃষি ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা বেড়ে যায়। কৃষি ব্যাংককে কেন্দ্র করে শিলাইদহ ও পতিসরে কবিগুরু গড়ে তোলেন পল্লী সমাজ সংগঠন এবং প্রচলন করেন সমবায়ভিত্তিক যৌথ কৃষিখামার। তিনি নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়ায় ১৮৯০ থেকে ১৯৩৭ সালের জুলাই পর্যন্ত ৪৭ বছর জমিদারি পরিচালনার সময় নিজের সাহিত্য রচনার পাশাপাশি এ কর্মকান্ড চালিয়েছিলেন।

শিলাইদহ, পতিসর পর্বের পর কৃষি ও পল্লী উন্নয়নে কবিগুরুর দ্বিতীয় পর্বের কর্মযজ্ঞ আরম্ভ হয় শান্তিনিকেতনে ও শ্রীনিকেতনে। এ পর্বে কবিগুরু শান্তিনিকেতনের লাগোয়া সুরুল গ্রামকে কেন্দ্র করে শ্রীনিকেতনে পল্লী সংগঠনের কর্মযজ্ঞ আরম্ভ করেন। এ সময় রবীন্দ্রচেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে এক বৃটিশ নাগরিক কৃষি বিজ্ঞানী লিওনাড এলমহাস্ট শান্তি নিকেতনে আসেন। তিনি আধুনিক ধাঁচের কৃষি খামার গড়ে তোলার জন্যে শ্রীনিকেতনের আশেপাশের জনবসতিকে উদ্বুদ্ধ করেন। কবিগুরু হৃদয় দিয়ে অনুভব করেন, অর্থনৈতিক উন্নতি আর অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় আধুনিক কৃষির বিকল্প নেই। লিওনাড এলমহাস্টের উদ্যোগেই শ্রীনিকেতনে কৃষি গবেষণা এবং হস্তকারুশিল্পের বিষয়ে কাজ শুরু হয়। চামড়া, সুচিশিল্প, মাটি ও গালার কাজ, শতরঞ্চি বুনন, ব্লক ছাপা যন্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ চলতে থাকে। তাছাড়া মহিলাদের জন্য কাঁথা শিল্প, মাটি-বাঁশ-বেতের কাজ, শাড়ির পাড়ের নকশা তৈরি ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ১৯২৭ সালে বিশ্বভারতীয় কেন্দ্রিয় সমবায় ব্যাংক প্রতিষ্টা করেন। এর আগে স্থানীয় উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছিল পল্লীউন্নয়ন সমিতি, সমবায় স্বাস্থ্য সমিতি, ধর্মগোলা, কৃষিঋণদান সমিতি, সেচ সমবায় এবং সমবায় বয়ন সমিতি ইত্যাদি। এক কথায় প্রান্তিক মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নতির জন্য যাবতীয় অনুসঙ্গ শ্রীনিকেতন প্রকল্পে স্থান পেয়েছিল।

কবিগুরু সমাজের শ্রেণি বিভেদ নির্বিচারে শিক্ষা, সংস্কৃতি, আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান শহর থেকে পল্লীতে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন। তিনি পল্লী সমাজ সংবিধান নামে ১৫ দফা এক কর্মসূচীর কথা ঘোষণা করেছিলেন। যার ৮ ও ৯ নম্বর কর্মসূচী কৃষি আর কৃষকের উন্নতির কথা বর্ণিত ছিল।

কৃষি ও পল্লীর জনজীবনের উন্নয়ন, জীবন-জীবিকা ও অর্থনীতির প্রশ্নে তাঁর দর্শন সত্যিই অভাবনীয়। আজ সময়ের প্রয়োজনেই এ দিকটিতে মনোযোগ দেওয়া খুবই প্রয়োজন। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে কৃষি, গ্রামীণ অর্থনীতি, খাদ্যনিরাপত্তা প্রভৃতিতে কবিগুরুর দর্শন মেনে চলা উচিত। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সামাজিক জীবনে শুধু একজন প্রজাবান্ধব জমিদার ও সমাজ সংস্কারক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন না, তিনি আধুনিক কৃষির একজন রূপকার হিসেবেও ছিলেন জনপ্রিয়। তাই জীবন সায়াহ্নে পূণ্যবান জন তাঁর আপন সৎকর্মে সোনার তরী পূর্ণ করে ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২শে শ্রাবণ বেলা ১২টা বেজে ১০ মিনিটে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে বাংলা সাহিত্য ও কাব্যগীতির শ্রেষ্ঠ রূপকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ৮০ বছর বয়সে ইহধাম ত্যাগ করে অমৃত আলোকের নতুন দেশে অন্তিম যাত্রা করেন। সুতরাং কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮২তম প্রয়াণ দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাচ্ছি।

লেখক : শিক্ষক ও কলামিস্ট।