ঢাকা, শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৩, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩০

প্রচ্ছদ » দেশের খবর » বিস্তারিত

‘ফ্রেন্ডস অব হিউম্যানিটি অ্যাওয়ার্ড’ পেয়ে প্রশংসায় ভাসছেন দৃষ্টি প্রামাণিক

২০২৩ নভেম্বর ২১ ১৮:২৫:৪৪
‘ফ্রেন্ডস অব হিউম্যানিটি অ্যাওয়ার্ড’ পেয়ে প্রশংসায় ভাসছেন দৃষ্টি প্রামাণিক

ওয়াজেদুর রহমান কনক, নীলফামারী : সমাজ উন্নয়নে কাজ করার স্বীকৃতিস্বরূপ ‘ফ্রেন্ডস অব হিউম্যানিটি অ্যাওয়ার্ড ২০২৩’ পেলেন নীলফামারীর রেদওয়ান রাহাত প্রমাণিক দৃষ্টি। দেশব্যাপী আলোকিত সমাজ গঠনে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার পান তিনি।

গত শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকার কাঁটাবনস্থ ‘কবিতা ক্যাফে’ মিলনায়তনে ফ্রেন্ডস অব হিউম্যানিটি বাংলাদেশ আয়োজিত অষ্টম ‘ফ্রেন্ডস অব হিউম্যানিটি অ্যাওয়ার্ড ২০২৩’-এর এক জমকালো পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক বিকালে আয়োজন করা হয়। এ সময় বাংলাদেশের ‘সমাজ সেবক’ ক্যাটেগরিতে রেদওয়ান রাহাত প্রমাণিক দৃষ্টির হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের উদ্বোধক কবি আসলাম সানী, সম্মানিত অতিথি কবি আলমগীর রেজা চৌধুরী, প্রধান অতিথি কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন, প্রধান আলোচক কবি শাহীন রেজা, বিশেষ অতিথি কামাল আহমেদ (উপমহাপরিচালক, বাংলাদেশ বেতার), কবি মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম চৌধুরী (যুগ্ম সচিব, সমাজসেবা অধিদপ্তর), সারমিন আক্তার ময়না (চেয়ারম্যান, ফ্রেন্ডস অব হিউম্যানিটি বাংলাদেশ) এবং ফারজানা করিম (বরেণ্য মিডিয়া ব্যক্তিত্ব)।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফ্রেন্ডস অব হিউম্যানিটি বাংলাদেশ সংস্থার প্রধান উপদেষ্টা ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর ডেপুটি কমিশনার কবি মো. মেহেবুব হক। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কবি ও লেখক মেহবুবা হক রুমা, সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে কথা বলেন সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক জায়েদ হোসাইন লাকী। অনুষ্ঠানে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে আগত ১২২ জন কবি, লেখক, সমাজসেবক, সংগঠক, কণ্ঠশিল্পী, আবৃত্তি শিল্পী, নাট্য শিল্পী সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল গুণীজনেরা।

বাবা-মার একমাত্র সন্তান। বাবা একজন সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন, বর্তমানে অবসর প্রাপ্ত। নিম্ন মধ্যবিত্তের অর্থনৈতিক দৈন্যতা কে পাশ কাটিয়ে বাবা-মা তার একমাত্র সন্তানকে পড়াশোনা করান একটি নামকরা কলেজে। ছোটবেলা থেকেই অসংখ্য পুরস্কার অর্জন ছিলো ঝুলিতে।ছিলো নৃত্য আর অভিনয়ে জাতীয় পর্যায়ের সম্মাননা। একাধিকবার স্বর্ন পদকসহ রৌপ্য পদক অর্জন। জাতীয় শিশু পুরস্কার, শিল্পকলা একাডেমি পুরুষ্কার, বিভাগীয় পুরুষ্কার সহ আরও অনেক কিছু।সন্তান উচ্চ শিক্ষিত হয়ে পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করবে সব বাবা মায়েরই এমনই চাওয়া। সেই চাওয়া থেকে স্কুল ও কলেজ গণ্ডি পেরিয়ে ভর্তি হন বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে।নাট্যকলা বিভাগে গ্রাজুয়েশন ও পোস্ট গ্রাজুয়েশন শেষ করে এখন একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কর্মরত আছেন। ছোটবেলা থেকেই সমাজসেবার উপরে তার বিশেষ আগ্রহ। করোনা কালীন বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে নিজ এলাকায় গড়ে তুলেছিলেন করোনা ব্রিগেড নামে একটি অনলাইন প্লাটফর্ম। এখানে করোনা মহামারীর সময় অসংখ্য মানুষকে সেবা প্রদান করা হতো। গড়ে তুলেছিলেন অনলাইন ডাক্তার পরামর্শ প্ল্যাটফর্ম। বৃক্ষরোপণ, বই বিতরণ, দুঃস্থ মানুষদের সহযোগিতা প্রদান সহ আরো অনেক অনেক কর্মকান্ডে সব সময় যুক্ত রাখেন নিজেকে।

(ওকে/এসপি/নভেম্বর ২১, ২০২৩)