প্রচ্ছদ » ফিচার » বিস্তারিত
বসন্তের ছোঁয়ায় লোহাগড়া জুড়ে শ্বেতশুভ্র সজনে ফুলের মুগ্ধতা
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১৩:১৮:১৭
রূপক মুখার্জি, নড়াইল :শীতের বিদায় লগ্নে বসন্তের আগমনে বাংলার প্রকৃতিতে এসেছে পরিবর্তন। প্রকৃতি নতুন সাজে সেজেছে। চারিদিকে কেবলই ফাল্গুনের আহবান। ফুলে আর ফলে অন্যন্য হয়ে উঠছে বসন্তকালের প্রকৃতি।
আবহাওয়ার এই অনিন্দ্য সন্ধিক্ষণে লোহাগড়ার প্রত্যন্ত গ্রাম জনপদ জুড়ে চোখে পড়ছে শ্বেতশুভ্র সজনে ফুলের মনোমুগ্ধকর সমারোহ। ডালে ডালে থোকায় থোকায় ঝুলে থাকা এসব ফুল একদিকে যেমন গ্রামীণ প্রকৃতির সৌন্দর্য বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে এ ফুলের পুষ্টিগুণও অনেক বেশি থাকায় অনেকেই তা সংগ্রহ করছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, শহরের লক্ষ্মীপাশা, লোহাগড়া, কচুবাড়ীয়া, রামপুর, মল্লিকপুর, ইতনা, জয়পুর, শালনগর, নোয়াগ্রাম, নলদী, লাহুড়িয়া, দিঘলিয়া, কোটাকোল, কাশীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার ধারে, বসতবাড়ির আঙিনায় ও মাঠঘাটের পাশে সজনে গাছে সাদা ও হালকা হলুদাভ ফুল ফুটে আছে।
চলতি বছর শীত মৌসুমে বড় ধরনের শৈত্য প্রবাহ না হওয়ায় সজনে গাছে ফুল ধরেছে বিগত যেকোনো বছরের চেয়ে বেশি। ফলে এবছর লোহাগড়ায় সজনের বাম্পার ফলনের আশা করা হচ্ছে। যদিও স্হানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে সজনের চাষ সংক্রান্ত কোনো তথ্য উপাত্ত নেই।
সৌন্দর্যের পাশাপাশি সজনে গাছের রয়েছে ভেষজ ও খাদ্যগুণ। ফুল ফুটলেই কিছুদিনের মধ্যে ডাঁটা ধরার আশা থাকে—যার বাজারমূল্যও ভালো।
লোহাগড়া অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া সজনে চাষের জন্য উপযোগী। তবে সম্ভাবনাময় সজনের চাষ নিয়ে স্হানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে কোন উদ্যোগ নেই।
লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের কৃষিজীবি বাবু কাজী বলেন, 'সজনে গাছ সহজেই হয়। ফুল ফুটলেই বুঝি, সামনে ডাঁটা আসবে। বাজারে বিক্রি করেও ভালো দাম পাওয়া যায়।
গৃহস্থের রান্নাঘরেও সজনে ফুলের কদর কম নয়। শহরের লক্ষ্মীপাশা এলাকার গৃহিণী রেশমা বলেন, 'সজনে ফুল দিয়ে ভর্তা বা বড়া বানালে স্বাদ আলাদা হয়। সুযোগ পেলেই ফুল কুড়িয়ে রান্না করে থাকি'।
লোহাগড়া সরকারি আদর্শ কলেজের সহযোগী অধ্যাপক কামরুন নাহার লিনা বলেন , 'সজনে একটি পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ উদ্ভিদ। এর ফুল, পাতা ও ডাঁটা—সবই খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে ফুলে
(আরএম/এএস/ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬)
