প্রচ্ছদ » দেশের খবর » বিস্তারিত
সালথার দূর্গাপুর গ্রামে নেই কোন পাকা রাস্তা, ভোগান্তিতে গ্রামবাসী
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ ১৮:১৫:৪৭
আবু নাসের হুসাইন, সালথা : প্রতিনিয়ত পায়ে হেঁটে যাতায়াত করে দুই গ্রামের মানুষ। সামান্য বৃষ্টি হলেই কাঁদায় পিচ্ছিল হয়ে চলাচলে অনুপযোগি হয়ে ওঠে কাঁচা রাস্তা। বর্ষার দিনে চারিদিকে থৈ থৈ পানির ঢেউয়ে তলিয়ে যায় রাস্তাটি। ইমার্জেন্সী ভাবে রোগি নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার নেই কোন সুব্যবস্থা।
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের অর্ধেক ও দুর্গাপুর গ্রামের এমন চিত্র চোখে পড়ে। বিদ্যুৎ সেবা ছাড়া ওই দুটি গ্রামে লাগেনি কোন উন্নয়নের ছোঁয়া। ভোগান্তির কোন শেষ নেই গ্রামবাসীর।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গোবিন্দপুর গ্রামের আইয়ুব খানের বাড়ি থেকে দুর্গাপুর শেষ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা কাচা পড়ে আছে। এই রাস্তায় চলাচলে নেই কোন ব্যবস্থা। দুর্গাপুর ও গোবিন্দপুর গ্রামের হিন্দু এবং মুসলিম ধর্মের মানুষ চরম ভোগান্তিতে জীবন-যাপন করছেন। শিশু বাচ্চারাও সময় মতো স্কুলে যেতে পারছেন না রাস্তার অভাবে।
স্থানীয় গোবিন্দপুর গ্রামের মাহফুজ খান, জাকির হোসেন, গোলাম আলী খান জানান, আটঘর ইউনিয়নের খাগৈড় ব্রীজ থেকে কড়াইবাড়িয়া দুর্গাপুর রাস্তার এক কিলোমিটার এইচবিবি থাকলেও বাকি প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা আজও পাকা হয়নি। আর এতে দুইগ্রামে কয়েক হাজার মানুষ ভোগান্তিতে আছে। রাস্তাটি পাকাকরণের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সংম্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষি আকর্ষন করছেন তারা।
দূগাপুর গ্রামের জগদীশ বাড়ৈ ও ঝর্না রানী জানান, কড়াইবাড়িয়া দুর্গাপুর মৌজা সকলেই হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক। এখানে নেই কোন যান চলাচলের রাস্তা। বাচ্চারাও স্কুল-কলেজে সময় মতো যেতে পারে না। পাকা রাস্তা না থাকায় চিকিৎসা সেবা থেকে শুরু করে সব সেবা থেকে বঞ্চিত তারা। দ্রুত রাস্তাটি পাকাকরণের দাবী গ্রামবাসীর।
সালথা উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আবু জাফর মিয়া বলেন, গোবিন্দপুর ও দুর্গাপুর গ্রামের রাস্তার বিষয়টি আমার নলেজে আছে। এখানে এক কিলোমিটার রাস্তা এইচবিবি করা আছে। বাকি ১.২০ কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণ ও রাস্তার মাঝে একটি কালভার্ট চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। পাস হয়ে আসলেই কাজ শুরু করা হবে।
(এএন/এসপি/ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬)
