প্রচ্ছদ » মুক্তচিন্তা » বিস্তারিত
খুঁত খোঁজা মানুষদের জবাবটা দেবেন
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৮ ১৭:৫৯:১৬
আবদুল হামিদ মাহবুব
কত বিষয় মাথায় আসে। মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলার জন্য লেখার আশ্রয় নিতে হয়। কিন্তু ইতিমধ্যে যেসব ইঙ্গিত পাচ্ছি, তাতে ভরসা পাইনা; মাথার বিষয়গুলো পাঠককে জানানোর। শঙ্কা হচ্ছে যে কখন মাথাটাই না হারিয়ে ফেলি!
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে ও পরে ছোট-বড় মিলিয়ে চারটি লেখা লিখেছি। ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছি টুকটাক। এতে কোনো কোনো মহলের গাত্রদাহ হচ্ছে। সম্মান জানিয়ে কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন। এক দুজন যাচ্ছেতাই ভাবেও বলেছেন। কিছু মন্তব্যে প্রচ্ছন্ন হুমকি আছে। আত্মীয়-স্বজনরা উদ্বিগ্ন।
এতদিন হাসিনাকে সমালোচনা করেছি। হাসিনার দোসররা হামলে পড়তো। এখনো তারা গালাগাল করে আমাকে। সুযোগ আসলে আমাকে তো মারবেই, আমার বাড়িঘর পুড়িয়ে দেবে, ঘরের ইট একটা একটা করে খুলে নেবে, এমন কথাও বলে রেখেছে। এখন এই নতুন সরকারেরও বিভিন্ন কর্মকান্ড নিয়ে লিখছি। সেগুলোতে যেসব মন্তব্য আসছে, আমার স্বজনরা স্বস্তিতে থাকেন কিভাবে? তাই দেশে-বিদেশের স্বজনরা বারবার আমাকে বলছেন, আমি যেন এই লেখালেখিটা বন্ধ করে দেই।
আমি লেখার মানুষ না লিখে কি দম ফেলতে পারব? লিখতে না পারলে দম বন্ধ হয়ে এমনিতেই মরে যাব। লেখালেখিটাই হচ্ছে আমার অক্সিজেন। তবে সেই বাল্যকাল থেকেই আমার একটা প্রতিজ্ঞা আছে, আমি কখনো দেশ ছেড়ে যাব না। যত ভয়ভীতি আমাকে দেখানো হোক আমি ছাড়বো না দেশ। মরলে এই দেশের মাটিতেই যেন মরি। বাবা-মার কবর এই মাটিতে, আমার কবরটাও যেন এই মাটিতেই হয়। আমার পাঠকরা আমার জন্য একটু দোয়া-আশীর্বাদ রাখবেন। অন্তর্বর্তীকালীন ডক্টর ইউনূস সরকারের সময় যেমন বাকস্বাধীনতা ছিল। সেটা যেন আমাদের এই নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সময়ও অব্যাহত থাকে। বাকস্বাধীনতা রহিত হলেও আমি ঠিক করেছি, আমি লিখেই যাবো। আমার এইসব লেখা তো দেশের কল্যাণের জন্য। কারো কাছে আমার কোন চাওয়া-পাওয়া নেই। যা হবার তা হবে, আমি লিখেই যাব।
আমাদের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ‘মব কালচারের দিন শেষ। এই দেশে আর মব কালচার থাকবে না।’ তার কথা শুনে বেশ ভরসা পেয়েছিলাম। কিন্তু এই সেদিন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর তার দফতর থেকে কিভাবে বিদায় হলেন? তাঁকে কি মব করে সরানো হলো না? টিভি চ্যানেল গুলোর ব্রডকাস্টে দেখলাম; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, এটা মব নয়, এটা বিক্ষোভ, প্রতিবাদ-প্রতিরোধ। তিনি এটাকে মব বলতে রাজি নন। আবারো বলি আমি তার এমন কথায় ভরসা রাখতে চাই। তবে এটা কিসের প্রতিবাদ? কিসের প্রতিরোধ? গভর্নর আহসান এইচ মনসুর তিনি কি জোর করেই পদে থাকতে চেয়েছেন? তাকে পদত্যাগের কথা বললে, তিনি কি পদত্যাগ করতেন না? অবশ্য আমি ভেতরের কথা এত জানি না। হয়তো ভিতরে আরো অন্তর্নিহিত অনেক বিষয় থাকতে পারে। আমি কেবল একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে সাদা চোখে যা দেখেছি সেটাই বললাম।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলি, এমন প্রতিবাদ-প্রতিরোধ রাস্তায় আরো নামবে। যেখানে অন্যায় অবিচার দানা বাঁধবে সেখানেই মানুষ প্রতিবাদে প্রতিরোধে নেমে পড়বে। কারণ দেশের মানুষ শিখে গেছে কিভাবে কোন অন্যায়কে প্রতিহত করতে হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে পুলিশ নির্যাতন করায় ইতোমধ্যে শাহবাগ থানায় ছাত্র-ছাত্রীদের কেমন সমাগম হয়েছে, নিশ্চয়ই আপনি সেটা দেখেছেন। এভাবে থানায় গিয়ে বিশৃংখল জমায়েত করা, এটা আমি সমর্থন করি না। তবে মানুষ যেটা একবার শিখে যায়, সেটা সে বার বার প্রয়োগ করে। সাধারণ মানুষ কখনো সফল হয়, কখনো মার খায়। কিন্তু শেষ অবধি বিজয় ঘটে এই সাধারণ মানুষেরই। চব্বিশের অভ্যুত্থানে সেটা প্রমাণ হয়ে গেছে। তাই এখন সতর্কভাবে পা ফেলতে হবে। কথা বলতে হবে লাগাম টেনে।
বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসনে সংবাদপত্রে দেওয়া তাঁর অভিমতে বলেছেন, ‘নতুন সরকার এসে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অদল-বদল করবে, এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের সদ্য বিদায়ী গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের প্রস্থান যেভাবে হলো, তা ওনার প্রাপ্য ছিল না। তাঁর সম্মানজনক বিদায় হতে পারত।’ তিনি এও বলেছেন, ‘গভর্নর বদল নিয়ে পুরো ঘটনাপ্রবাহ নতুন সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে। নতুন সরকার এসে গভর্নর পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিতেই পারে। কিন্তু যে প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা শোভনীয় হয়নি, আরও মসৃণ হতে পারত।’
আমাদের সড়ক ও রেলপথ মন্ত্রী তাঁর কর্ম দিবস শুরুর প্রথম দিনেই রাস্তায় চাঁদাবাজির বিষয়ে যে সংজ্ঞা আমাদের সামনে আনলেন, সেটা শুনে আমি হতবাক হয়েছি! তিনি বলেছেন, সমঝোতায় চাঁদা নেয়া যাবে। এটাকে তিনি চাঁদাবাজি মনে করেন না। চাঁদাবাজি বলবেনও না। তিনি বলেছেন, বাধ্য করে, জোর করে যে চাঁদা আদায় করা হবে, সেটাকে চাঁদাবাজি বলা যাবে।
তাই যদি হয়, তাহলে আমার প্রশ্ন; রাস্তায় যারা ছিনতাই করে, ডাকাতি করে, তারা তো জোর করেই কারো কিছু নেয়। টাকা, পয়সা, গহনা, ইত্যাদি যা-ই জোর করে নেবে, সেই ছিনতাই কিংবা ডাকাতিকে এখন আমরা ছিনতাই বা ডাকাতি না বলে চাঁদাবাজি বলবো? এই যে অতিকথন, এটা কি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য ভালো কিছু বয়ে নিয়ে আসছে? নিশ্চয়ই তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচরে এইসব কথাগুলো গিয়েছে। তিনি হয়তো ডেকে নিয়ে সাবধানও করে দিয়েছেন, আমরা সেসব ভিতরের বিষয় জানতে পারিনি।
জনাব তারেক রহমান আপনার মন্ত্রীদের অতিকথন আপনার জন্য বুমেরাং হতে পারে। গলাবাজি ও অতিকথনের ব্যাপারে মন্ত্রীদের সতর্ক করুন। কথা বলা বিষয়ে আমার একটি ছড়া আছে। সেটি এখানে তুলে দিচ্ছি; কথা বলুন লাগাম টেনে/কথারওতো সীমা থাকে/লাগাম ছাড়া কথা বলে/পড়তে পারেন দুর্বিপাকে।
আপনি প্রধানমন্ত্রী হয়েও যে ভাব দেখাচ্ছেন না, যে ভাষায় এখন আর কথা বলছেন না; আপনার মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীরা আপনার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি ভাব দেখাচ্ছেন। বল্গাহীন কথা বলছেন। আপনি পতাকা বিহীন গাড়িতে চলাফেরা করছেন। এটা আমাদের দেশে নজিরবিহীন ঘটনা। এই ধারাটা আগামীতেও নিশ্চয়ই অব্যাহত থাকবে।
আরেকজন মন্ত্রী, তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী। তাঁকে বলতে শুনলাম, তিনি বলছেন, ‘মনে রাখতে হবে, আমরা কিন্তু এখন ক্ষমতায়! চাইলে আমরা অনেক কিছু করতে পারি।’ এমন বক্তব্য জনগণকে কি মেসেজ দেয়? তার এই কথা কি জনগণের মনে সরাসরি ভয় ধরিয়ে দেওয়ার জন্য হুমকি নয়? ক্ষমতায় যারা, তাদেরই কি বাংলাদেশ? সাধারণ মানুষ তাহলে কিছুই না? তারেক রহমান, আপনি কি ওই মন্ত্রীর দেহভঙ্গি, বলার ভঙ্গি দেখেননি? শুরুতেই যদি এমন শুরু হয়ে যায়, বাকি দিনগুলোতে আমরা কি দেখব? সেইসব ভাবনায় আমার মাথায় তোলপাড় করছে, অনেক আগাম বিষয়।
আকাঙ্ক্ষা করি না এই সরকার ব্যর্থ হোক। যদিও শপথের দিনে তারা জন আকাঙ্ক্ষার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এত সংগ্রাম, এত ত্যাগ, এত প্রাণহানি, এত পঙ্গুত্ববরণের মাধ্যমে যে অভ্যুত্থান হলো, সেই অভ্যুত্থানকে স্বীকৃতি দিযে ‘জুলাই ঘোষণা’, আর ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ প্রণীত হল সেটার প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন তৃণমূলের বিএনপি নেতাকর্মী-সহ সাধারণ মানুষকে ভাবনায় ফেলে দিয়েছে। আমি অনেক নেতা কর্মীর সাথে এ বিষয়ে কথা বলে দেখেছি, তারা অনেকেই বিষয়টিকে মেনে নিচ্ছেন না। মানুষ গণভোটে যে আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটালো, নতুন সরকার তথা তারেক রহমানের সরকার যেন সেই আকাঙ্ক্ষার প্রতি শুরুতেই বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে দিলেন! সংবিধানের দোহাই দিয়ে সংস্কারের পক্ষ ‘সংবিধান সংস্কার’ পরিষদের নির্দিষ্ট শপথ নিলেন না। যদিও তারা অনেকগুলো ‘কিন্তু’ ‘হয়’ ইত্যাদি আমাদের সামনে এনেছেন। কিন্তু দেশের মানুষ তো এত বোকা না। মানুষ তাদের মনোভাব বুঝে নিয়েছে।
এখানে প্রশ্ন আসতে পারে আমি কেন এটার পক্ষ নিচ্ছি? হ্যাঁ, লেখালেখির মাধ্যমে আমি ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিপক্ষে ছিলাম। ছিলাম আমি অভ্যুত্থানের পক্ষে। সেই কারণে আমারও আকাঙ্ক্ষা দেশে একটি আমুল সংস্কার হবে। আর কখনো এক ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভুত হবে না। মানুষের কথা বলার অধিকার থাকবে। সকল মানুষ সমমর্যাদা নিয়ে এই দেশে বসবাস করবে। মানুষ বসবাস করবে সোহার্দ্য সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে।মানুষের অভাব থাকবে না, দারিদ্র গোছবে। উঁচু-নীচুর মধ্যে ব্যবধান কমে আসবে। সকল মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, শিক্ষা, বাসস্থান; এই চাহিদাগুলো পূরণ হবে। সকল মানুষ তার মৌলিক অধিকার ভোগ করবে। মানুষ প্রাণ খুলে তার সুখ দুঃখ হাসি কান্না দুঃখ যন্ত্রণার কথা বলতে পারবে। ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে করতে পারবে।
পাকিস্তান থেকে আমরা আলাদা হবার আগে এমন স্বপ্ন বঙ্গবন্ধু যেমন দেখেছিলেন, পরবর্তীতে দেখেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তিনি তাঁর যুগান্তকারী কিছু কর্মকান্ড করে সেই পথে জাতিকে নিয়েও গিয়েছিলেন। কিন্তু ঘাতকদের ষড়যন্ত্র তাঁকে থামিয়ে দিল। স্বৈরাচারী এরশাদের গণতন্ত্রবিহীন শাসন দেশকে অনেকটা পিছনে নিয়ে গেল। নব্বইয়ে বিপ্লবের মাধ্যমে ঘটল তার উত্তরণ। বেগম খালেদা জিয়া হাল ধরে আবারো শহীদ জিয়ার পথে দেশকে এগিয়ে নেবার চেষ্টা করলেন। ওয়ান ইলেভেনের আরেক ষড়যন্ত্রে সেটাও থেমে গেল।
শেখ হাসিনা ক্ষমতা পেয়ে ব্যতিক্রমি কায়দায় দেশ চালাতে শুরু করল। এক সময় শেখ হাসিনা হয়ে উঠল একজন ফ্যাসিস্ট হয়ে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা এই বিগত সময়ে মানুষে মানুষে বিভাজন সৃষ্টি করে দিলো। বড়লোককে করা হলো আরো বড়লোক। উন্নয়নের কথা বলে বলে সারাদেশে লুটপাট করে তার আত্মীয়-স্বজন ও কাছের মানুষরা বিদেশে বিত্ত বৈভবের মালিক হলো। কিছু কিছু নেতাকর্মীকে শত শত হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক বানিয়ে দিয়ে দেশের অর্থনীতি পঙ্গু করে দিল। ব্যাংকগুলোতে লুটপাট চালিয়ে দেশের অর্থনীতিকে ফোকলা করে দিল। মানুষের মৌলিক ভোটাধিকার হরণ করল। সারা দেশের মানুষ হয়ে উঠল অতিষ্ঠ। ডাইনির মতো গুম খুনের মহোৎসব করছিল। মানুষ যখন ঘুরে দাঁড়ালো, তখন শেষ চেষ্টা হিসেবে শত শত মানুষের প্রাণ কাড়লো। হাজার হাজার জনকে পঙ্গু করে দিল। এই নির্দয় আচরণ করেও যখন টিকতে পারল না, দেখলো অবস্থা বেগতিক, অবশেষে গণঅভ্যুত্থানের মুখে তার সকল স্বজনসহ পালিয়ে গিয়ে প্রাণে বেঁচে গেল।
দেশের মানুষ এখন তারেক রহমানকে নিয়ে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছে। আর এজন্যই বিপুল ভোট দিয়ে তাঁর দলকে বিজয়ী করে ক্ষমতায় বসিয়েছে। মানুষ আশা করে তারেক রহমান বঙ্গবন্ধু, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার পথ ধরে দেশকে এগিয়ে নেবেন। তাদের সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ তিনি বিনির্মাণ করবেন। আমি ও আমরা আশা রাখতে চাই নিশ্চয়ই তিনি নেতৃত্ব দিয়ে আমাদেরকে স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে দিয়ে চমকিয়ে দেবেন।
তবে এমন স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার জন্য তারেক রহমানকে অবশ্যই আমাদের সময় দিতে হবে। সবেতো তিনি পথ চলা শুরু করলেন। তবে শুরুতেই যে শঙ্কা আমার কিংবা আমাদের সামনে আসল, আমি উপরে তার কয়েকটির কিছুটা বর্ণনা করেছি। আশা রাখতে চাই তিনি আমাদের সকল শঙ্কা কাটিয়ে অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে আমার মত খুঁত খোঁজা মানুষদের যথাযথ জবাবটা দেবেন। তখন আমরা কেবলই তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ থাকবো। আমি তারেক রহমানের সফলতা কামনা করছি। তিনি সফল হলে বাংলাদেশ সফল হবে। বাংলাদেশে সফল হলে দেশের ১৮ কোটি মানুষ উৎফুল্লে হেসে উঠবে। সেই হাসি দেখার অপেক্ষায় থাকলাম। আমি যেন আমার জীবদ্দশায় মানুষের মুখের উৎফুল্লময় হাসিটা দেখে যেতে পারি।
লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও শিশু সাহিত্যক।
