প্রচ্ছদ » মুক্তচিন্তা » বিস্তারিত
মন্ত্রে মন্ত্রে শেষ উচ্চারণ
২০২৬ মার্চ ২৬ ১৯:০৩:১৬
পীযূষ সিকদার
সরোজ কুমার মজুমদার। একজন হ্যোমিও প্যাথি চিকিৎসক। তাঁকে সবাই শংকর ডাক্তার বলে ডাকে। তাঁর জন্ম ফরিদপুরের কৃষ্ণনগর ইউনিয়নে। ডাক্তারী পেশার কারণে চলে আসেন কানাইপুর ইউনিয়নে। এই বাজারেই তাঁর ডাক্তারী জীবনের সূচনা। পরে বাজারের পাশেই ভাটি কানাপুরে তিনি স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তিনি হ্যোমিও প্যাথি চিকিৎসক হিসাবে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেন। মৃত্যুকালে তাঁর স্ত্রী ছায়া রানী মজুমদার ও চার সন্তান রেখে গেছেন। বড় সন্তান ডাঃ সঞ্জিব কুমার মজুমদার, সেও হ্যোমিও প্যাথি চিকিৎসক হিসেবে বেশ সুনাম অর্জন করেছে। তার চিকিৎসা সেবা শুধু কানাইপুরে নয়, বিভিন্ন জেলা থেকে রোগীরা আসেন সেবা নিতে। তাদের রোগ মুক্তি ঘটে। ডাঃ সঞ্জিব-এর নাম ডাক যখন আকাশ স্পর্শী তখন তার বাবা শংকর ডাক্তার দেহত্যাগ করেন।
সরোজ কুমার মজুমদার (শংকর ডাক্তার) হ্যোমিও প্যাথি চিকিৎসায় বলা যায় একটি কিংবদন্তী নাম। শ্রদ্ধেয় শংকর ডাক্তার মানুষের সেবা দিতে ভুলেননি কখনো, রোগীর নিকট টাকা থাক বা না থাক। তাঁর মৃত্যুতে কানাইপুর ও কৃষ্ণনগরে শোকের ছায়া নেমে আসে। শংকর ডাক্তারের বড় ছেলে ডাঃ সঞ্জিব কুমার মজুমদারের অনুজ দুই ভাই, মেজ ভাই ডাঃ সঞ্জয় কুমার মজুমদার ও ছোট ভাই ডাঃ সুকান্ত কুমার। নিভৃতচারী এই তিন ভাই তাদের বাবার মত চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে দিবা-নিশি। শংকর ডাক্তারের তিন ছেলে হ্যোমিও প্যাথির উপরে ডি.এইচ.এম.এস (ঢাকা) ডিগ্রী নিয়েছে। সরোজ কুমার মজুমদার (শংকর ডাক্তার) নিভৃতপল্লী ফরিদপুরের কৃষ্ণনগরে জন্মগ্রহন করেন। তিনি ১৭ মার্চ ২০২৬ইং তারিখের কানাইপুরের ভাটি কানাইপুরে আনুমানিক বেলা ০৩:৫৬ ঘটিকাতে দেহত্যাগ করে অমৃতের পথে যাত্রা করেন। তাঁর মৃত্যু সংবাদ পেয়ে কানাইপুরসহ আশেপাশের ইউনিয়নগুলোতে শোকের কালো ছায়া নেমে আসে। ডাঃ সরোজ কুমার মজুমদার (শংকর ডাক্তার)-এর ২৭ মার্চ ২০২৬ইং তারিখে শেষ কৃত্যাদি অনুষ্ঠান সু-সম্পন্ন হবে। তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি। ডাঃ বাবু সরোজ কুমার মজুমদার (শংকর ডাক্তার)-এর শেষ কৃত্যানুষ্ঠান মন্ত্রে মন্ত্রে উচ্চারিত হবে অমৃত-মধুর শ্লোক।
লেখক : শিক্ষক ও নাট্যকার।
