ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২

প্রচ্ছদ » দেশের খবর » বিস্তারিত

সালথায় সাবেক সেনা সদস্যের ওপর হামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার

২০২৬ এপ্রিল ০৯ ১৬:২০:১৬
সালথায় সাবেক সেনা সদস্যের ওপর হামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ফরিদপুরের সালথায় মাদক ব্যবসা ও সেবনে বাধা দেওয়ায় সাবেক সেনা সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম সোহেলের ওপর হামলার ঘটনার প্রধান আসামী নুরু বিশ্বাস (৩৫) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের ভাওয়াল গ্রামের পাশে একটি বিল থেকে থানা পুলিশ তাকে আটক করে।

আটককৃত নুরু বিশ্বাস ভাওয়াল গ্রামের আলী বিশ্বাসের ছেলে।

সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ বাবলুর রহমান খান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাবেক সেনা সদস্যের ওপর হামলার মামলার প্রধান আসামী নুরু বিশ্বাসকে ভাওয়াল গ্রামের একটি বিলের পাড় থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত নুরুকে ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সালথা বাজারে জননী সুপার মার্কেটের দোতলায় সালথা ডিজিটাল ডায়গনিস্টিক সেন্টারের ভিতরে ঢুকে সাবেক সেনা সদস্য শহীদুল ইসলাম সোহেল এর ওপর হামলা চালায় মাদক কারবারীরা। হামলার পর আহত সাবেক সেনা সদস্যকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আহত শহিদুল সোহেল উপজেলা সদরের সালথা পাড়ার দাউদ শিকদারের ছেলে। তিনি সালথা ডিজিটাল ডায়গনিস্টিক সেন্টারের পরিচালক ও সাবেক সেনা সদস্য।

হামলাকারীরা হলেন, উপজেলা সদরের ভাওয়াল গ্রামের আলী বিশ্বাসের ছেলে নুরু বিশ্বাস (৩৫), শামীম বিশ্বাস (২৪) ও জামাল মাতুব্বরের ছেলে সোহেল (২৩)। এর মধ্যে নুরু বিশ্বাস ও শামীম বিশ্বাস উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি কালাম বিশ্বাসের আপন ছোট ভাই।

ব্যবসায়ীরা জানান, সালথা জননী সুপার মার্কেটের নিজ তলায় বসে নিয়মিত ইয়াবা বিক্রি ও গাঁজা সেবন করেন নুরু বিশ্বাস ও তার সহযোগীরা। বুধবার সন্ধ্যায় মার্কেটের ভেতর মাদক সেবনকালে বাধা দেন ওই মার্কেটের ক্লিনিক ব্যবসায়ী সাবেক সেনা সদস্য শহিদুল সোহেল। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাদক ব্যবসায়ী নুরু বিশ্বাস ও তার সহযোগী সোহেল ও শামীম লাঠিসোটা নিয়ে ক্লিনিকের ভেতর ঢুকে শহিদুল সোহেলের ওপর হামলা চালায়।

এ ঘটনার সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, তিন যুবক শহিদুল সোহেলকে লাঠি দিয়ে পেটাচ্ছে। তখন শহিদুল ঠেকানোর চেষ্টা করছেন।

আহত শহিদুল হোসেল বলেন, আমাদের মার্কেটের নিচ তলায় একটি কসমিটিকের দোকানে সামনে বসে মাদক বিক্রি ও সেবন করে নুরু বিশ্বাস। বুধবার সন্ধ্যায় মাদকের কার্যক্রম নিয়ে নুরুর সাথে কথাকাটাকাটি হয়। পরে মুরব্বীরা বিষয়টি মিমাংসা করে দেন। কিন্তু রাত সাড়ে ৮ টার দিকে মাদককারবারী নুরু ও তার সহযোগীরা লাঠিসোটা ও পাইপ নিয়ে আমার ক্লিনিকের ভেতর ঢুকে আমার উপর অতর্কিত হামলা করে। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।

(এএনএইচ/এএস/এপ্রিল ০৯, ২০২৬)