ঢাকা, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রচ্ছদ » শিক্ষা » বিস্তারিত

শিক্ষকতার পাশাপাশি ‘কাজি’ পেশা, ২৯ শিক্ষককে মাউশির শোকজ

২০২৬ এপ্রিল ২০ ১৪:৪৭:৪৭
শিক্ষকতার পাশাপাশি ‘কাজি’ পেশা, ২৯ শিক্ষককে মাউশির শোকজ

স্টাফ রিপোর্টার : মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) রাজশাহী অঞ্চলের অধীনে কর্মরত ২৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে শিক্ষকতার পাশাপাশি অন্য লাভজনক পেশায় যুক্ত থাকার অভিযোগে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে একই সঙ্গে শিক্ষকতা ও বিবাহ নিবন্ধক (কাজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় গত ১৫ এপ্রিল এই আদেশ জারি করা হয়।

মাউশি রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মোহা. আজাদুজজামান স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়েছে, জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১ এর ধারা ১১.১৭ (ক) অনুযায়ী কোনো এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী একই সঙ্গে একাধিক আর্থিক লাভজনক পদে বা চাকরিতে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না। কিন্তু তদন্তে দেখা গেছে, অভিযুক্ত ২৯ জন শিক্ষক শিক্ষকতার পাশাপাশি নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজি) এবং হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

যাদের শোকজ করা হয়েছে-
তালিকায় রাজশাহী জেলার বিভিন্ন উপজেলার ২১ জন, নাটোর জেলার ৪ জন, নওগাঁর ১ জন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১ জন শিক্ষকসহ মোট ২৯ জনের নাম রয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক, সহকারী অধ্যাপক, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট ও মৌলভীগণ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শোকজপ্রাপ্ত শিক্ষকদের আগামী ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের মধ্যে মাউশি রাজশাহী অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক বরাবর সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিধি বহির্ভূতভাবে একাধিক পদে যুক্ত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের এমপিও বাতিলসহ কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে আদেশে সতর্ক করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আদেশটি কার্যকারিতার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিব, মাউশির মহাপরিচালক এবং সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুলিপি প্রদান করা হয়েছে।

এ বিষয়ে মাউশি রাজশাহী অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর মোহা. আজাদুজজামান জানান, বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর ওপর মহলের নির্দেশনায় এই সার্কুলার জারি করা হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষকদের শোকজ করা হয়েছে কারণ এটি বিধির বাইরে। তাদের সাত দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

(ওএস/এএস/এপ্রিল ২০, ২০২৬)