ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রচ্ছদ » জাতীয় » বিস্তারিত

‘বিমানবন্দরে যাত্রীসেবায় গতি আনতে হবে’

২০২৬ এপ্রিল ২৮ ০০:৪২:৩২
‘বিমানবন্দরে যাত্রীসেবায় গতি আনতে হবে’

স্টাফ রিপোর্টার : বিমানবন্দরে যাত্রীসেবা সহজ করা, অপ্রয়োজনীয় জটিলতা কমানো, তথ্য বিনিময় ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে পারলে দেশের এভিয়েশন খাতে দক্ষতা ও আধুনিকতা নিশ্চিত করা সম্ভব। এতে বিমানবন্দরের পরিচালন সক্ষমতা বাড়বে এবং যাত্রীসেবার মান উন্নত হবে।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) উদ্যোগে জাতীয় এয়ার ট্রান্সপোর্ট ফ্যাসিলিটেশন কমিটির নবম সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেবিচক সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।

এ সময় বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রী প্রক্রিয়াকরণে বিলম্ব, সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়াগত জটিলতা দূর করতে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ ও সমন্বিত কর্মপদ্ধতির ওপর গুরুত্বারোপ করেছন সংশ্লিষ্টরা।

সভায় সদস্য সচিব হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমোডর মো. আসিফ ইকবাল।

এছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন, পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, ধর্ম, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (কাস্টমস), বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, এয়ারলাইন্স অপারেটিং কমিটি, বাংলাদেশ পুলিশ, ইমিগ্রেশন এবং বেবিচকের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভায় জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার অ্যানেক্স-৯ অনুযায়ী প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্রের জন্য একটি কার্যকর জাতীয় এয়ার ট্রান্সপোর্ট ফ্যাসিলিটেশন কমিটি গঠন এবং নিয়মিত সভা আয়োজন বাধ্যতামূলক।

এ কমিটির লক্ষ্য আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে যাত্রী, ব্যাগেজ ও কার্গো পরিবহনকে সহজ, দ্রুত ও সুশৃঙ্খল করা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা।

এছাড়া আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিরীক্ষা কর্মসূচির ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতির আওতায় এ কমিটির কার্যক্রম একটি গুরুত্বপূর্ণ মূল্যায়ন সূচক হিসেবে বিবেচিত হয় বলেও সভায় উল্লেখ করা হয়।

সভাপতির বক্তব্যে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, ফ্যাসিলিটেশন ও এভিয়েশন নিরাপত্তা একে অপরের পরিপূরক। সঠিক ফ্যাসিলিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে নিরাপত্তা কার্যক্রমও আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব, যা যাত্রীবান্ধব ও নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

তিনি আরও জানান, বেসামরিক বিমান চলাচল আইন ২০১৭ এবং সংশ্লিষ্ট আইনি কাঠামোর মাধ্যমে এ কমিটির কার্যপরিধি আরও শক্তিশালী হয়েছে।

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন, নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং কার্যক্রম তদারকি জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ কমিটি কার্যকরভাবে কাজ করলে দেশের এভিয়েশন খাতের সক্ষমতা বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও দৃঢ় হবে।

(ওএস/এএস/এপ্রিল ২৮, ২০২৬)