ঢাকা, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

প্রচ্ছদ » অর্থ ও বাণিজ্য » বিস্তারিত

মার্সেল ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন টাঙ্গাইলের হাবিবুর

২০২৬ মে ১৬ ১৯:০০:০৭
মার্সেল ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন টাঙ্গাইলের হাবিবুর

স্টাফ রিপোর্টার : জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড মার্সেলের ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের পেকুয়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামের যুবক হাবিবুর রহমান। দেশজুড়ে চলমান ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ এর আওতায় তিনি এই সুবিধা পান। একটি ফ্রিজ কেনার সুবাদে নগদ ১০ লাখ টাকা পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হাবিবুর।

সম্প্রতি মির্জাপুরের তক্তারচালা বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রেতা হাবিবুরের হাতে ১০ লাখ টাকার চেক তুলে দেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান এবং অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। সেসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মার্সেলের হেড অব বিজনেস হোসেন মো. রুহিন সাব্বির, ডেপুটি হেড অব বিজনেস মতিউর রহমান, অ্যাডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান, মার্সেলের ডিস্ট্রিবিউটর শোরুম ‘হোম ইলেকট্রনিক্স’ এর স্বত্বাধিকারী ওসমান গনি প্রমুখ।

উল্লেখ্য, আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে মার্সেল ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন বা সিলিং ফ্যান কিনে ক্রেতারা পাচ্ছেন ১০ লাখ টাকা পাওয়ার সুযোগ। এছাড়াও রয়েছে পঞ্চাশ হাজার টাকার ক্যাশ ভাউচার, আকর্ষণীয় অঙ্কের ক্যাশব্যাকসহ অসংখ্য সুবিধা। ঈদুল আযহা পর্যন্ত দেশজুড়ে মার্সেল পণ্য কেনায় এসব উপহার পাবেন ক্রেতারা।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ক্রেতা মো. হাবিবুর রহমান বলেন, কোনো পণ্য কিনলে দুই-তিনশ টাকা পাওয়া যায় জানতাম। লাখ লাখ টাকা পাওয়ার বিষয়টি শুধু নাটক-সিনেমায় দেখতাম। কিন্তু সেই নাটক-সিনেমার দৃশ্যপটই এবার আমার জীবনে সত্যি হয়েছে। মার্সেলের ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পাওয়া সত্যি এক অবিশ্বাস্য ব্যাপার। ক্রেতাদের এতো বড় সুবিধা দেয়ায় মার্সেল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ। মার্সেল থেকে পাওয়া এই ১০ লাখ টাকায় বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা করবো।

অনুষ্ঠানে অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান বলেন, মার্সেল পণ্যের গুণগত মান অনেক ভালো। আমি মার্সেল ব্র্যান্ডের পণ্য ব্যবহার করছি। দেশীয় পণ্য কেনার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নেও অংশ নেয়া যায়। তাই আমাদের সবারই মার্সেলসহ দেশীয় ব্র্যান্ডের পণ্য ক্রয় ও ব্যবহার করা উচিৎ।

অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ বলেন, মার্সেল শুধু নিজেদের ব্যবসায়ের লাভের চিন্তা করে না। তারা ক্রেতাদের সুবিধার কথাও চিন্তা করে। দেশব্যাপী মার্সেলের পণ্য কিনে হাজার হাজার ক্রেতা স্বাবলম্বী হচ্ছেন। এতে এক দিকে দেশের টাকা দেশে থাকছে। অন্যদিকে আমাদের দেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে।

(পিআর/এসপি/মে ১৬, ২০২৬)