প্রচ্ছদ » দেশের খবর » বিস্তারিত
গোপালগঞ্জে ৬০ জন নিবন্ধিত মৎস্যজীবীর মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ
২০২৬ মে ২০ ১৮:৪৭:৪২
তুষার বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে সদর উপজেলায় নিবন্ধিত মৎস্যজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ৬০ জন মৎস্যজীবীর মাঝে ৬০টি বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে।
আজ বুধবার বিকেলে গোপালগঞ্জ শহরের সোনাকুড় মৎস্য ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট মাঠে গোপালগঞ্জ প্রধান অতিথি ২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কেএম বাবর মৎস্যজীবীদের হাতে বাছুরগুলো হস্তান্তর করেন।
এ উপলক্ষে জেলা মৎস্য কর্মকর্তার সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৌশিক আহমেদের সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দেবলা চক্রবর্ত্তীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ডা. কেএম বাবার এমপি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো: খালিদুজ্জামান, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: কামরুল ইসলাম ও সদর উপজেলা ভেটেনারি সার্জন ডা. প্রিয়াংকা রানী মোদক।
এ সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিকদার সহিদুল ইসলাম লেলিন, জেলা যুবদলের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন ল্পিটন, ‘দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ প্রকল্পের পদস্থ কর্মকর্তা সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে মৎস্যজীবী শেখ আলী আজম বলেন, দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুকের প্রজননের সময় আমরা খাল বিলে মাছ ও শামুক ধরা থেকে বিরত থাকি। তখন আমাদের বেকার থাকতে হয়। এখন আরা সেটি হবে না। অবসর সময়ে এই বাছুর পালন করে আমরা বাড়তি আয়ের ব্যবস্থা করতে পারব।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম বলেন, দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় জেলেদের ভূমিকা অপরিসীম। দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণের সময় জেলেদের আয় যেন বন্ধ না হয়, সেই উদ্দেশ্যেই সরকার বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে।
প্রকল্প পরিচালক মো: খালিদুজ্জামান বলেন, সারাদেশে এ প্রকল্প ছড়িয়ে দিলে, দেশের মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ। জেলেরা উপকৃত হবেন। দেশের মানুষের প্রোটিনের চাহিদা পুরণ করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ডা. কে.এম বাবর এমপি বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠির কল্যাণ হলে, দেশের উন্নতি হবে। তাই এ ধরণের প্রকল্প গ্রহনের জন্য আমি সংসদে কথা বলবো। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রান্তিক জনগোষ্ঠির উন্নয়নে অনেক কল্যাণমুথী কাজ করে যাচ্ছেন।
(টিবি/এসপি/মে ২০, ২০২৬)
