প্রচ্ছদ » মুক্তচিন্তা » বিস্তারিত
সিজেপি এন্টি-ভারত, এন্টি-হিন্দু
২০২৬ মে ২৩ ১৮:০০:২৬
শিতাংশু গুহ
ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নামে একটি সংগঠন সামাজিক মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেছে। বোষ্টনে বসবাসরত একজন আম আদমী সমর্থক হিন্দু এর প্রতিষ্ঠাতা। ইতিমধ্যে এই সংগঠন বেশ সাড়া ফেলেছে এবং একই সাথে অভিযোগ উঠেছে যে, এর সদস্যদের মধ্যে বেশিরভাগ পাকিস্তানী ও বাংলাদেশী। এই সংগঠনটি এন্টি-মোদী বলা হলেও কেউ কেউ বলছেন, এটি, এন্টি-ভারত, এন্টি-হিন্দু। সামাজিক মাধ্যমে একজন বলছেন, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) পরাজয়ের গ্লানী এঁরা ভুলতে পারছে না, পূর্ব-ভারতকে বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনা ভেস্তে যাচ্ছে দেখে এদের মাথা ঠিক নেই? তাই ককরোচরা একত্রিত হবার নুতন ধান্ধা পাকাচ্ছে।
মমতা ব্যানার্জী বলেছিলেন তিনি দিল্লির সরকার ফেলে দেয়ার জন্যে কাজ করবেন। কেজরীলাল জেনজি-দের মাঠে নামার আহবান জানিয়েছেন। এ দু’জন পরাজিত শক্তি, এবং এদের রাজনীতি শেষ, তাই হয়তো রাজনৈতিকভাবে বেঁচে থাকতে নুতন ষড়যন্ত্র শুরু করতে চাচ্ছেন। এতে কাজ হবেনা, কারণ ভারতীয় জেনজি অনেক স্মার্ট, ভারতীয় হিসাবে এরা গর্বিত। এঁরা জানে যে, একটি মহল ভারতকে ভাঙ্গতে চায়, এবং এদের সাথে ভারতের কিছু এন্টি-হিন্দু নেতা সংযুক্ত আছেন। এবার পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচিয়ে দিয়েছে এই জেনজিরা, এঁরা অন্যদের সাথে একচেটিয়া মমতার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। এই জেনজিরাই ভারত বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দেবে।
ইউনুস আমলে সেভেন সিষ্টার দখলের যেসব কথাবার্তা শোনা গেছে তা শুধু কথার কথা ছিলোনা, ওটি অনেক মুসলমানের মনের কথা? ঢাকায় ইউনুস-জামাত-এনসিপি এবং কলকাতায় মমতা-ফিরহাদ হাকিম-তৃণমূল এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছিলো। মমতা ব্যানার্জীকে হয়তো বাংলাস্থানের প্রধানমন্ত্রী হবার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিলো? মমতা ব্যানার্জী ভুলে গেছেন যে, মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলে অন্যদের কিছু দেয়না। আমার এ কথা এখন অবিশ্বাস্য মনে হবে, সময়ে প্রমান হবে এমন কিছু একটা ভেতরে ভেতরে চলছিলো। মোদী ও বিজেপি’র বিরোধিতা করতে গিয়ে ক্ষমতার মোহে মমতা-অখিলেশ-কেজরীলাল ভারত ও হিন্দু বিরোধিতা করছিলো। ভাগ্য ভাল, এরা এখন ক্ষমতাছাড়া।
এটি স্পষ্ট, ভারত এখন এর শিকড়ে ফিরে যাচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টিতে ভারতের ককরোচরাই শুধু যোগ দিচ্ছে। ঘরে তেলাপোকা হলে মানুষ বাজার থেকে ওষুধ কিনে আনে। কথায় বলে, বাঁচলে হাতির মত বাঁচো, তেলাপোকার মত নয়! পার্টি করতে হলে তেলাপোকা নয়, জনগণকে সাথে নিয়ে পার্টি করো, ভারতে সম্ভবত: টিএমসি, আম-আদমি বা কংগ্রেসের দেশ ও হিন্দু বিরোধী রাজনীতির দিন শেষ। মমতা ও টিএমসি শেষ! আমআদমী এবার পাঞ্জাবে হারবে, এরপর কেজরীলাল শেষ। তামিলনাড়ুতে যেকোন সময় বিজয় থালাপতি সরকারের পতন ঘটবে। বিষয়টি মোদী বা বিজেপি নয়, বিষয়টি হচ্ছে ভারত ও হিন্দু। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এন্টি-ভারত, এন্টি-হিন্দু, সুতরাং এর অপমৃত্যু ঘটবে।
লেখক : আমেরিকা প্রবাসী।
