ঢাকা, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

প্রচ্ছদ » দেশের খবর » বিস্তারিত

উদ্বোধনের সাড়ে তিন বছর পর মাদারীপুরে ১০ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউ চালু

২০২৬ জুন ১৪ ১৯:০৬:৫৯
উদ্বোধনের সাড়ে তিন বছর পর মাদারীপুরে ১০ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউ চালু

মাদারীপুর প্রতিনিধি : দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের ১০ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউ এর সেবা চালু হয়েছে।আজ রবিবার সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই আইসিইউ সেবা চালুর উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শাখাওয়াত হোসেন।

এ সময় মাদারীপুর-০২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া, সিভিল সার্জন ডা. শরিফুল আবেদীন কমল, হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. অখিল সরকারসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর জেলার সাড়ে ১৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার জন্য ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল। এরপর আরো ৩ কোটি টাকার আইসিইউসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কেনা হয়। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে রোগীদের সেবা দেয়ার জন্য আইসিইউ উদ্বোধন করা হয়। অথচ লোকবল সংকটের কারণে কোন রোগীকে আইসিইউ এর সেবা দেয়া হয়নি। তবুও মেলেনি কোন সেবাই। এতে করে মাদারীপুর মানুষজনকে একটু অসুস্থ হলেই ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যেতে হতো। এতে করে জেলার অসহায় ও গরীব মানুষগুলোকে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এ নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়া একাধিকবার সংবাদ প্রচার করে। পরে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নজরে আসলে এটি উদ্বোধনের সিদ্ধান্ত হয় কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে আইসিইউ এর সেবা চালু করা হয়। এতে করে মাদারীপুরবাসী খুব খুশি।

মাদারীপুর শহরের পুরানবাজার এলাকার সাদেক আহম্দে বলেন, আমাদের র্দীঘদিনের দাবী ছিলো আইসিইউটি চালু করার। আজ তা হয়েছে। এতে আমরা অনেক খুশি।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা অটোরিকসা চালক রাজ্জাক হোসেন বলেন, আমরা গরীব মানুষ ঢাকা বা ফরিদপুর গিয়ে চিকিৎসা নিতে পারি না। তাই আইসিইউ চালু হওয়ায় আমাদের মতো গরীব ও অসহায় মানুষের বেশি উপকার হবে।

মাদারীপুর-০২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে হাম রোগে আক্রান্ত শিশুদের জন্য এই আইসিইউ সেবা অগ্রাধিকার দেয়া হবে। পরবর্তীতে অন্য রোগীদেরও দেয়া হবে এই আইসিইউ সেবা। মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতাল থাকলেও ১০০ শয্যার জনবল দিয়ে চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। এটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর করার জন্য জাতীয় সংসদেও আলোচনা করা হয়েছে। এটি পরিপূর্ণ চালু হলে সেবার মান বাড়বে এবং জেলাবাসী উপকৃত হবেন।

(এএসএ/এসপি/জুন ১৪, ২০২৬)