প্রচ্ছদ » দেশের খবর » বিস্তারিত
জামালপুরে ৩ দিনব্যাপী ফলমেলার উদ্বোধন
২০২৬ জুন ১৮ ১৮:৪১:৫০
রাজন্য রুহানি, জামালপুর : 'করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস' প্রতিপাদ্যে জামালপুরে শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা। এ ফলমেলা উদ্বোধন করেন মেলার প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়িতে এ মেলার উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমদাদুল হক।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আলম শরিফ খানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, আমাদের চারপাশে অসংখ্য ফলমূলের গাছ লাগাতে হবে যা দিয়ে পূরণ হবে আমাদের দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা করেছেন। সেটি আমরা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করব। এরমধ্যে থাকবে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ। খাদ্য নিরাপত্তা থেকে শুরু করে পুষ্টির চাহিদা মেটানো এবং পরিবেশর জন্য অত্যন্ত উপকারী হচ্ছে ফলের গাছ।
তিনি আরও বলেন, পাখি বসে এমন ধরনের গাছ লাগাতে হবে বেশি বেশি। পাখি উদ্ভিদের পরাগায়ণে বিশাল একটা ভূমিকা পালন করে। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, যদি কেউ রাস্তার পাশে গাছ লাগান, সেই গাছের ফল যদি কেউ খায়, মরার পরেও সেই মানুষটি আল্লাহর কাছ থেকে সুফল পাবেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ির অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্ভিদ ও সংরক্ষণ) জেসমিন জাহানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার মো. ছানোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজনীন আক্তার, জেলা মৃত্তিকা গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (SRDI) আ খ ম মোরশেদুর রহমান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ির অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান) দিলরুবা ইয়াসমিন, জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব গাউসুল আজম শাহীন প্রমুখ।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি ও উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই মেলার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভা শেষে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে গাছ বিতরণ করা হয়।
মেলায় বিভিন্ন মৌসুমি ফল ও গাছের চারা প্রদর্শনীর জন্য ৫ টি স্টল স্থান পেয়েছে। ১৮ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত এ ফলমেলা চলবে বলে জানিয়েছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি কর্তৃপক্ষ।
(আরআর/এসপি/জুন ১৮, ২০২৬)
