প্রচ্ছদ » দেশের বাইরে » বিস্তারিত
সোনার দাম আবার ৪ হাজার ডলার ছাড়াল
২০২৬ জুলাই ২১ ১৪:৪৭:৫৯
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্ববাজারে সোনার দাম আবারও চার হাজার ডলার ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার খবর ছড়াতেই মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়েছে। এ ধরনের কূটনৈতিক আলোচনা মূল্যস্ফীতি কমাবে কি না, আর যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ফেডারেল রিজার্ভ’ সুদহার নীতি কীভাবে পরিবর্তন করবে—এ নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ড বা প্রতি আউন্স সোনার দাম ০ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৪২ দশমিক ৬৯ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, আগামী আগস্টে সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার্সের দাম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪৭ দশমিক ৪০ ডলারে।
বিশ্লেষকদের মতে, সোনা চার হাজার ডলারের এই স্তরে একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরির চেষ্টা করছে। এখান থেকে দাম আবারও ওপরের দিকে উঠতে পারে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের খবরগুলোর সাময়িক প্রভাব দেখা যাচ্ছে সোনার বাজারে।
তেলের বাজারে চাপ
এদিন বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কিছুটা কমেছে। একদিকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বিরোধ মেটাতে মধ্যস্থতার খবর আসছে। অন্যদিকে ইয়েমেনের হুথিদের পক্ষ থেকে সৌদি আরবে নৌ-অবরোধের হুমকি এবং দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
সম্প্রতি সংঘাত বৃদ্ধির কারণে গত সোমবার তেলের দাম গত এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুদের হার বাড়াতে হতে পারে বলে অনেক নীতিনির্ধারক ইঙ্গিত দিচ্ছেন। সুদের হার বেশি থাকলে সাধারণত সোনার মতো নিরাপদ আমানতে বিনিয়োগ করার আগ্রহ কিছুটা কমে যায়।
সোনার পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও বেড়েছে। বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স রুপার দাম ২ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৫৭ দশমিক ৬৭ ডলার হয়েছে। এছাড়া প্লাটিনামের দাম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৬০৭ দশমিক ২০ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ২৬৩ দশমিক ৭৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
তথ্যসূত্র : রয়টার্স
(ওএস/এএস/জুলাই ২১, ২০২৬)
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
বিশ্ববাজারে সোনার দাম আবারও চার হাজার ডলার ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার খবর ছড়াতেই মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়েছে। এ ধরনের কূটনৈতিক আলোচনা মূল্যস্ফীতি কমাবে কি না, আর যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ফেডারেল রিজার্ভ’ সুদহার নীতি কীভাবে পরিবর্তন করবে—এ নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
