প্রচ্ছদ » অর্থ ও বাণিজ্য » বিস্তারিত
‘এআইকে বন্ধু হিসেবে গড়ে তোলা বড় চ্যালেঞ্জ’
২০২৬ জুলাই ২৫ ১৪:২৪:৫৮
স্টাফ রিপোর্টার : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে (এআই) দায়িত্বশীলভাবে কাজে লাগিয়ে শিক্ষা, গবেষণা, তথ্য ব্যবস্থাপনা ও গণমাধ্যমসহ সব ক্ষেত্রে এর ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে এআইকে বন্ধু হিসেবে গড়ে তোলা এবং সেই সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী রাখাই বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।”
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে ইউনিভার্সাল হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন (ইউএইচএফ) কানাডা আয়োজিত ‘এআই লিডারশিপ ও ফ্ল্যাগশিপ প্রেস্টিজ অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’ শীর্ষক বৈশ্বিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, “কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন সভ্যতার একটি নতুন উপাদানে পরিণত হয়েছে। এআইয়ের সঙ্গে মানুষ কীভাবে সহাবস্থান করবে এবং কীভাবে একে মানবকল্যাণে কাজে লাগানো যাবে, সে বিষয়ে এখন থেকেই সুস্পষ্ট প্রস্তুতি নিতে হবে। এআই বন্ধু হবে নাকি ভবিষ্যতে ঝুঁকির কারণ হয়ে উঠবে, তা নির্ভর করবে এর দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং সঠিক জ্ঞান অর্জনের ওপর।”
তিনি বলেন, “বর্তমানে গণমাধ্যম, তথ্যব্যবস্থা ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ছে। ফলে এ প্রযুক্তিকে বোঝা এবং এর সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।”
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে সভ্যতার বিকাশ ও ধ্বংসের নিয়ামক ছিল মানুষ। কিন্তু, এখন মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রায় আরেকটি শক্তিশালী অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। তাই এই নতুন ইকোসিস্টেম কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে বিশ্বব্যাপী সমন্বিত চিন্তা ও কার্যকর রোডম্যাপ প্রয়োজন।”
তিনি বলেন, “দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, তথ্য ব্যবস্থাপনা, বিজ্ঞান ও গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগানোর সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। এআইকে বন্ধু হিসেবে ধরে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় বিজ্ঞান, জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করা না গেলে এটি ভবিষ্যতে বুমেরাং হয়ে দাঁড়াতে পারে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন ঘটনায় সেই ঝুঁকির আভাস পাওয়া যাচ্ছে।”
সম্মেলনে ইউনিভার্সাল হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন ও ইউনিভার্সাল গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভের উদ্যোগের প্রশংসা করে তথ্যমন্ত্রী জানান, এ ধরনের আন্তর্জাতিক আয়োজন থেকে বাংলাদেশ একটি কার্যকর দিকনির্দেশনা পাবে। পাশাপাশি কানাডা, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আগত অতিথিদের অভিজ্ঞতা দেশের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মনে করেন।
(ওএস/এএস/জুলাই ২৫, ২০২৬)
