প্রচ্ছদ » কৃষি » বিস্তারিত
সালথায় ২৬ হাজার মেট্রিক টন পাট উৎপাদণের লক্ষ্যমাত্রা
২০২৬ জুলাই ২৬ ১৮:৪৬:৩২
আবু নাসের হুসাইন, সালথা : পাট ও পেঁয়াজে বিখ্যাত ফরিদপুরের সালথায় এবছর সোনালী আঁশ পাট উৎপাদণের লক্ষ্যমাত্রা ২৬ হাজার মেট্রিক টন। এবছর ১২ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে পাটের আবার হয়েছে। চলছে পাট কর্তন ও আঁশ ছাড়ানোর কাজ। তবে সৃজন শেষে উৎপাদণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি অফিস।
সরেজমিনে দেখা যায়, কাঁচি নিয়ে সকাল থেকে সারাদিন চাষিরা জমিতে পাট কর্তন করছেন। আবার অনেকেই নদী-নালা ও খাল-বিলে পাটের আঁশ ছাড়ানোর কাজে ব্যস্ত রয়েছে। স্বপ্নের সোনালী আঁশ পাট ঘরে তোলা নিয়ে কৃষানীরাও ব্যাস্ত সময় পার করছেন। চারিদিকে পাটের গন্ধে ভরে গেছে৷ পাটের ভালো দামের আশায় বুক বাঁধছেন চাষিরা।
জানা যায়, এই উপজেলার মানুষের আয়ের প্রধান দুটি অর্থকরী ফসল হচ্ছে পাট ও পেঁয়াজ। পাট ও পেঁয়াজ চাষ করে অধিকাংশ মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। এ বছর পাট উৎপাদনে চাষিদের অনেক কষ্ট পোহাতে হয়েছে। পাট আবাদের শুরুতেই বৃষ্টি না থাকায় সেচের মাধ্যমে বেড়ে ওঠে পাট গাছ। এতে উৎপাদণ খরচ বেড়ে গেছে। তাই পাটের ন্যায্যমুল্যে দাবি চাষিদের।
উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের লোকমান ও আমজেদ শেখ নামে দুই চাষি বলেন, এবছর পাট উৎপাদণে খরচ অনেক বেশি৷ ফলন খুব ভালো হয়েছে, কিন্তু পাটের ন্যায্যমুল্যে পাচ্ছি না। বর্তমানে বাজারে প্রতিমণ পাটের দাম পাচ্ছি ৪ হাজার থেকে ৪২শ টাকা। এদিকে পেঁয়াজের দামও অনেক কম। আর পাটে প্রতিমণ সাড়ে ৫ হাজার টাকা হলে কিছুটা লাভবান হতাম।
উপজেলা কৃষি অফিসার আহসানুল হাবিব আজাদ জনি বলেন, এবছর উপজেলায় ১২ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। বর্তমানে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে, তাই চাষিরা পাট কর্তন শুরু করেছেন। পাটের ফলন ভালো হচ্ছে, আশা করছি উৎপাদণ লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে। এবং বাজারে পাটের চাহিদা বাড়বে।
(এএন/এসপি/জুলাই ২৬, ২০২৬)
