প্রচ্ছদ » মুক্তচিন্তা » বিস্তারিত
“নিরাপত্তা ছাড়া বিনিয়োগ অসম্ভব”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উক্তিতেই কি নিহিত রয়েছে জাতীয় অস্তিত্বের হুমকি?
২০২৬ জুলাই ২৮ ১৭:৫১:৫১
মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু
গত ৫ আগস্ট ২০২৪ এর নজিরবিহীন রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশ আজ এক গভীর প্রশাসনিক অস্থিতিশীলতা ও সামাজিক অনিশ্চয়তার সংকটজনক সন্ধিক্ষণে উপস্থিত। যেকোনো ঐতিহাসিক রাজনৈতিক রূপান্তরের পর আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার সাময়িক শিথিলতা কিংবা প্রশাসনিক কাঠামোর পুনর্গঠনপ্রক্রিয়া একেবারে অপ্রত্যাশিত নয়। কিন্তু সেই বিশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক স্থবিরতা যখন মাসের পর মাস দীর্ঘায়িত হতে থাকে, তখন তার চরম মাশুল চুকাতে হয় পুরো রাষ্ট্রব্যবস্থাকে। প্রশাসনিক পক্ষাঘাত, বিচারহীনতার বিষাক্ত সংস্কৃতি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মনস্তাত্ত্বিক স্থবিরতার সুযোগ নিয়ে আজ রাজপথ থেকে শুরু করে কৌশলগত কেন্দ্রগুলোতে নতুন করে বিস্তার লাভ করছে উগ্রবাদী অপশক্তি।
দেশের সাম্প্রতিক বাস্তবতায় সবচেয়ে বড় আঘাত হয়ে দেখা দিয়েছে তথাকথিত ‘মব কালচার’ বা অনিয়ন্ত্রিত জনমতের নামে রাজপথে আইনি শাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর ভয়াবহ প্রবণতা। সমাজজুড়ে তীব্র আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি করা এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি রাষ্ট্রযন্ত্রের আইনি ভিত্তিমূলকে চরমভাবে নড়বড়ে করে দিয়েছে। রাষ্ট্র যখন এই উচ্ছৃঙ্খল মব তাণ্ডব সামলাতে দিশেহারা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিষ্ক্রিয় দর্শকের ভূমিকা পালনে বাধ্য হচ্ছে, ঠিক তখনই পর্দার অন্তরালে ঘটছে সবচেয়ে বড় সর্বনাশটি। এই অরাজকতা ও প্রশাসনিক হট্টগোলের অশুভ সুযোগ নিয়ে উগ্রপন্থী ও জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো অত্যন্ত চতুরতার সাথে নিজেদের পুনর্গঠনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের দৃষ্টি যখন রাজপথের মব তাণ্ডবের দিকে নিবদ্ধ, জঙ্গিরা তখন আড়ালে থেকে তাদের নেটওয়ার্ক বিস্তার করছে, লুণ্ঠিত অস্ত্র সংহত করছে এবং বড় ধরনের নাশকতার সমস্ত সাংগঠনিক ও প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া গুছিয়ে আনছে। মব কালচারের এই বিষবৃক্ষ মূলত উগ্রবাদের পুনরুত্থানের সবচেয়ে নিরাপদ ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
রাষ্ট্রীয় কাঠামোর এই অভূতপূর্ব প্রশাসনিক শূন্যতাকে পুঁজি করে অন্ধকারের কুঠুরি থেকে বীরদর্পে আত্মপ্রকাশ করছে নানা নাশকতামূলক ও চরমপন্থী অপরাধী চক্র। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনাপ্রবাহ সার্বভৌম নিরাপত্তার ভিত্তিমূলে কাঁপন ধরিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। কেরাণীগঞ্জের হাসনাবাদে একটি ভবন থেকে বিপুল পরিমাণ বোমার কেমিক্যাল ও প্রস্তুতকৃত বিস্ফোরক উদ্ধার, সাভারে রাজনৈতিক সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণ এবং অতিসম্প্রতি রাজধানীর মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের মতো কৌশলগত স্থাপনার নিচে শক্তিশালী পাইপ বোমা (আইইডি) উদ্ধারের ঘটনাগুলো কোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধচিত্র নয়। কাউন্টার-টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রামাণিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এসব কেমিক্যালের ধরন ও প্রয়োগকৌশল আন্তর্জাতিক ভাবাদর্শে অনুপ্রাণিত উগ্রপন্থী নেটওয়ার্কের পুনর্সংগঠিত হওয়ারই এক ভয়াল আলামত।
এই চরমপন্থী উত্থানের নেপথ্যে কেবল আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার অবক্ষয় দায়ী নয়; বরং সরকারের নীতিগত অন্ধত্ব ও দিকভ্রান্তি এর মূল জ্বালানি হিসেবে কাজ করছে। সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, সরকারের নীতিনির্ধারণী বলয়ে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু তোষামোদকারী ও কায়েমি স্বার্থান্বেষী চক্র নিজেদের সংকীর্ণ এজেন্ডা বাস্তবায়নে রাষ্ট্রযন্ত্রকে সম্পূর্ণ ভুল পথে চালিত করছে। এই চাটুকার বেষ্টনীর পরামর্শে সরকার আজ সম্পূর্ণ মনোযোগ উৎসর্গ করেছে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমন, নিরপরাধ মানুষের ওপর জুলুম এবং মুক্তচিন্তার স্বর স্তব্ধ করার অপচেষ্টায়। রাষ্ট্রযন্ত্রের এই আত্মঘাতী সুযোগেই উগ্রপন্থী ও জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো দৃশ্যপটের আড়ালে থেকে নির্বিঘ্নে নিজেদের শক্তিশালী করছে এবং দেশকে এক ভয়াবহ ধর্মান্ধতার গহ্বরে ঠেলে দিচ্ছে। সরকার যখন রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে ব্যাকুল, উগ্রবাদীরা তখন নীরব ছায়ার আড়াল থেকে রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের ভিত উপড়ে ফেলার বড় ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।
এর সাথে যুক্ত হয়েছে নিরাপত্তার প্রাতিষ্ঠানিক ভঙ্গুরতা। পটপরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে কারাগার ভেঙে পালিয়ে যাওয়া সাজাপ্রাপ্ত চরমপন্থী আসামিদের উল্লেখযোগ্য অংশ এখনো অধরা। তার ওপর দেশের বিভিন্ন থানা ও ফাঁড়ি থেকে অপহৃত হাজার হাজার আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ও লক্ষাধিক গোলাবারুদের বৃহৎ অংশ এখনো পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। অপরাধী ও জঙ্গিদের হাতে রয়ে যাওয়া এসব বেআইনি অস্ত্র আজ পুরো জাতীয় নিরাপত্তার ওপর ঝুলন্ত একেকটি বিপজ্জনক ‘টাইমবোমে’ পরিণত হয়েছে। তদুপরি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষাক্ত উগ্র মতাদর্শের অবাধ বিপণন পরিস্থিতিকে এক চরম ঝুঁকিপূর্ণ স্তরে পৌঁছে দিয়েছে।
নিরাপত্তার এই আশঙ্কাজনক বাস্তবতার মাঝে সবচেয়ে বড় আঘাতটি এসেছে খোদ সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে। সম্প্রতি চট্টগ্রামের আনোয়ারায় এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি—‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ছাড়া নতুন দেশি বা বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়’। অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এ উক্তিটি সর্বজনবিদিত সত্য হলেও, রাষ্ট্র পরিচালনায় আসীন প্রধান নিরাপত্তা অভিভাবকের মুখে এমন প্রশাসনিক অকার্যকারিতার প্রকাশ্য স্বগতোক্তি মূলত সরকারের অভ্যন্তরীণ চরম দুর্বলতা ও দিকভ্রান্তিকেই নগ্ন করে দেয়। দায়িত্বশীল আসনে বসে কেবল সুরক্ষার ঘাটতি স্বীকার করা কোনো সুশাসনের লক্ষণ হতে পারে না; এটি সরকারের প্রশাসনিক সক্ষমতার অভাব এবং সংকট মোকাবিলায় কোনো সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ না থাকারই নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই অপরিণামদর্শী উক্তি অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকেও দেশের জন্য এক মারাত্মক আত্মঘাতী বার্তা পেশ করেছে। এটি বর্তমান সরকারের কূটনৈতিক অদূরদর্শিতা ও দক্ষতার চরম অভাবকে প্রমাণ করে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও সম্ভাব্য বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করার বদলে খোদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যখন দেশের নিরাপত্তাহীনতার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার করে, তখন কোনো বিদেশি রাষ্ট্র বা বৈশ্বিক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে পুঁজি ঢালার ঝুঁকি নেবে কেন? একটি দক্ষ ও কূটনৈতিকভাবে বিচক্ষণ সরকার যেখানে সংকট নিরসনের দৃঢ় কৌশল তুলে ধরে আন্তর্জাতিক মহলে আস্থা ফেরায়, সেখানে সরকারের এই আস্থাহীন উচ্চারণ বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে নতুন করে ধূলিসাৎ করেছে।
ইতিহাসের নির্মম শিক্ষা হলো—যখনই কোনো রাষ্ট্র তার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে এবং উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে শুরুতেই কঠোর অবস্থান না নিয়ে তোষণ নীতি গ্রহণ করেছে, তখনই সেই রাষ্ট্র অকার্যকর হওয়ার পরিণতি বরণ করেছে। সত্তরের দশকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের প্যারিস’ খ্যাত সমৃদ্ধ লেবানন আজ উগ্রপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীর সমান্তরাল উপস্থিতি ও ভঙ্গুর নিরাপত্তার কারণে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। একইভাবে ইয়েমেন ও সিরিয়া রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার সূচনালগ্নে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার ও চরমপন্থীদের তোষণ করেছিল, যার মাশুল আজ তারা দিচ্ছে রাষ্ট্রীয় বিলুপ্তি ও সীমাহীন গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে। এমনকি আফগানিস্তান কিংবা সোমালিয়ার ইতিহাসও প্রমাণ করে—একবার রাষ্ট্রের ওপর থেকে আইন ও সুরক্ষার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গেলে বৈশ্বিক বিচ্ছিন্নতা ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক পক্ষাঘাতই হয় একমাত্র নিয়তি।
রাষ্ট্রযন্ত্রের সবচেয়ে ক্ষতিকর দিকটি প্রকাশ পায় তখন, যখন অপরাধ দমনে সরকারের ভুল অগ্রাধিকার ও দূরদর্শিতার অভাব পরিলক্ষিত হয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার নীতি পরিহার করে এবং রাজপথের মব জাস্টিস কঠোর হাতে দমন করে সরকার যদি অবিলম্বে উগ্রবাদের বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলার দিকে নজর না দেয়, তবে বাংলাদেশকেও পরম নির্মম পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে। এই প্রশাসনিক বিচ্যুতি ও রাজনৈতিক উদাসীনতার সুযোগে প্রকৃত জঙ্গি ও চরমপন্থীরা আড়াল হয়ে শক্তি সঞ্চয় করার বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের আইনি কাঠামো ও শাসনব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতাকে ধূলিসাৎ করে দিচ্ছে।
এই গভীর রূপান্তরকালীন সংকট থেকে উত্তরণ ঘটাতে এবং দেশকে এক সম্ভাব্য অকার্যকর রাষ্ট্রের ধ্বংসাত্মক পরিণতি থেকে বাঁচাতে হলে আর এক মুহূর্ত কালক্ষেপণ করার সুযোগ নেই। প্রশাসনিক প্রতিনিধিরা কেবল সভা-সমাবেশে কথা বলে বা রাজনৈতিক দমন-পীড়ন চালিয়ে রাষ্ট্র টিকিয়ে রাখতে পারবে না। সরকারকে অবিলম্বে তার বেষ্টনীতে থাকা চাটুকার চক্রের বলয় থেকে বের হয়ে আসতে হবে এবং রাজপথে কঠোর হস্তে মব কালচার বন্ধ করতে হবে। সংকীর্ণ রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশ ভুলে আজ সময় এসেছে স্বাধীনতার স্বপক্ষের মূল শক্তি, অসাম্প্রদায়িক চেতনাধারক দলসমূহ, প্রগতিশীল সুশীল সমাজ এবং সার্বভৌমত্বকামী সর্বস্তরের গণমানুষকে এক ঐতিহাসিক স্টিল-ফ্রেম জাতীয় প্ল্যাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ করার।
মুক্তিযুদ্ধের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত এই রাষ্ট্রের প্রধানতম প্রাণভোমরা হলো অসাম্প্রদায়িকতা ও স্বাধীনতা-সংগ্রামের চেতনা। এই ঐতিহাসিক চেতনাকে ভিত্তি করেই উগ্রবাদ, মৌলবাদ ও নাশকতার বিরুদ্ধে এক দুর্ভেদ্য জাতীয় প্রতিরক্ষাব্যূহ গড়ে তুলতে হবে। সরকার যদি এই মুহূর্তে রাজনৈতিক বিভাজনের খেলা বন্ধ করে স্বাধীনতা প্রেমী ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার শক্তিসমূহকে এক অভিন্ন জাতীয় মঞ্চে নিয়ে আসতে না পারে, তবে ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করবে না।
একই সাথে, সিটিটিসি, র্যাব ও অ্যান্টি-টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) মতো বিশেষায়িত সংস্থাগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের হাতিয়ার না বানিয়ে সব ধরনের সামাজিক তোষণ বা রাজনৈতিক চাপ থেকে মুক্ত করে পেশাদারত্বের সাথে মাঠে স্বাধীনভাবে কাজ করার পূর্ণ এখতিয়ার দিতে হবে। সাধারণ নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি বন্ধ করে লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারে দেশব্যাপী সর্বাত্মক চিরুনি অভিযান, জেলপলাতকদের দ্রুত গ্রেপ্তার, অনিয়ন্ত্রিত মব প্রতিরোধ, অনলাইন ও অফলাইনে উগ্রবাদী প্রচারের বিরুদ্ধে নিরবচ্ছিন্ন নজরদারি এবং যেকোনো নাশকতার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবে প্রয়োগ করতে হবে। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বহীন বক্তব্য, সরকারের প্রশাসনিক অন্ধত্ব ও কূটনৈতিক ব্যর্থতা শুধরে যদি অবিলম্বে অসাম্প্রদায়িক ও স্বাধীনতার স্বপক্ষের জাতীয় শক্তিকে এক প্ল্যাটফর্মে দাঁড় করানো যায়, তবেই দেশে ফিরবে আইনশৃঙ্খলা, পুনরুদ্ধার হবে বৈশ্বিক আস্থা এবং চিরতরে সুরক্ষিত থাকবে আমাদের জাতীয় অস্তিত্ব ও সার্বভৌমত্ব।
লেখক: একজনকবি।
