প্রচ্ছদ » দেশের খবর » বিস্তারিত
‘রামপাল-মোংলায় নদী ভাঙ্গ রোধে দেয়া হবে পাইলিং বাঁধ পাইলিং বাঁধ’
২০২৬ আগস্ট ২৪ ১৯:১২:৩৪
বাগেরহাট প্রতিনিধি : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের রামপাল উপজেলা রমজাইপুরসহ বিভিন্ন অংশ ভেঙ্গে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। চলমান ড্রেজিং ও আন্তর্জাতিক নৌরুটে প্রতিনিয়ত চলাচলকারি জাহাজের ঢেউসহ জোয়ার-ভাটার আঘাতে ভাঙ্গনের সৃষ্টি হচ্ছে। সাধারণ মানুষের বসবাসের নিরাপত্তায় অচিরেই নদী ভাঙ্গন কবলিত এই এলাকায় পাইলিং বাঁধ নির্মাণ করা হবে। তবে এই ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব হবে।
আজ সোমবার সকালে বাগেরহাটের রামপালের রমজাইপুর এলাকার তীব্র নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদ আরও বলেন, মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের রামপাল অংশে ভাঙ্গনের তীব্রতা তুলনামূলক বেশি। তবে ভাঙ্গন রয়েছে মোংলার অংশেও। বর্তমানে চ্যানেলটির রোমজাইপুর ছাড়াও, সিংগড়বুনিয়ার পাকা রাস্তাসহ কয়েকটি বাড়ি ভেঙ্গে নদীতে চলে গেছে। পেড়িখালী খেয়াঘাট, রামপাল সরকারি কলেজের মাঠও ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। ওড়াবুনিয়ার অনেক বাড়িসহ প্রায় একশত একর কৃষিজমি নদীর গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। হুড়কার ছাড়াখালীতেও ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধে ইতিমধ্যে ৩টি পয়েন্টে কাজ শুরু হয়েছে। অন্যসব এলাকায় নতুন করে ভাঙ্গন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত কার্যকরী ভূমিকা পালনের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী।
এসময়ে বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জয়ন্ত পাল ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মিরাজ মোল্লা জানান, মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ চ্যানেলের রামপাল ও মোংলা অংশের ভাঙ্গন প্রতিরোধে টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ৩টি পয়েন্টে কাজ শুরু হয়েছে। অন্যসব এলাকায়ও নতুন করে ভাঙ্গন প্রতিরোধে কাজ শুরু হবে।
(এস/এসপি/আগস্ট ২৪, ২০২৬)
