প্রচ্ছদ » অর্থ ও বাণিজ্য » বিস্তারিত
স্ক্র্যাপের নামে অন্য পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা, ব্যত্যয়ে কঠোর ব্যবস্থা
২০২৬ সেপ্টেম্বর ১০ ১৫:২১:৩৪
স্টাফ রিপোর্টার : আমদানি নীতি আদেশ লঙ্ঘন করে স্ক্র্যাপের (বর্জ্য বা লোহার টুকরো) বদলে পুনঃব্যবহারযোগ্য অন্য কোনো পণ্য আমদানি নিয়ে সতর্ক করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আদেশ অমান্য করে কেউ এ ধরনের পণ্য আমদানি করলে তার বিরুদ্ধে সরাসরি কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) এনবিআরের কাস্টমস নীতি বিভাগের দ্বিতীয় সচিব রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশনার আলোকে এ বিষয়ে পরিপত্র জারি করা হয়।
পরিপত্র বলা হয়, বিদ্যমান আমদানি নীতি আদেশ অনুযায়ী কেবল প্রকৃত ব্যবহারকারী হিসেবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো কাঁচামাল হিসেবে এইচএস হেডিং ৭২.০৪ (এইচএস হেডিং ৭২.০৪) এবং এর আওতাভুক্ত এইচএস কোডের অধীনেই ‘ওয়েস্ট অ্যান্ড স্ক্র্যাপ’ আমদানি করতে পারবে।
ইদানিং কাস্টমস কর্তৃপক্ষ লক্ষ্য করেছে, কিছু আমদানিকারক অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে স্ক্র্যাপের কথা বলে প্রকৃতপক্ষে পুনঃব্যবহারযোগ্য অন্যান্য পণ্য অন্য এইচএস কোডের মাধ্যমে আমদানি করছেন।
বন্দর বা কাস্টমসে এসব পণ্য আটকে দেওয়ার পর খালাসের জন্য আমদানিকারকরা হাইকোর্টে একাধিক রিট পিটিশন (রিট পিটিশন নং ৭৫৯৫/২০২৫ এবং ৬৪০৬/২০২৫) দায়ের করেন।
আদালত পিটিশনগুলোর শুনানি নিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আমদানি নীতির ব্যত্যয় ঘটিয়ে পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়া যাবে না।
এ বিষয়ে গণবিজ্ঞপ্তি ও পরিপত্র জারির জন্য এনবিআরকে মৌখিক ও লিখিত নির্দেশ দেন আদালত।
আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এনবিআর জানিয়েছে, প্রচলিত আমদানি নীতি আদেশে উল্লিখিত এইচএস হেডিং ৭২.০৪-এর অধীন প্রকৃত স্ক্র্যাপ ব্যতীত অন্য কোনো এইচএস কোডের পুনঃব্যবহারযোগ্য পণ্য স্ক্র্যাপ ঘোষণায় আনা সম্পূর্ণ বেআইনি।
কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ২৬৬ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে এবং এখন থেকে নীতি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ কঠোর আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
(ওএস/এএস/সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬)
