প্রচ্ছদ » দেশের খবর » বিস্তারিত
আদমদীঘিতে বাবার চেয়ে মেয়ের বয়স বেশি! বিড়ম্বনায় বাবা- মেয়ে
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২১ ১৯:০৮:২৯
বিকাশ স্বর্ণকার, বগুড়া : নির্বাচন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বহীনতায় জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল জন্মতারিখ নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বগুড়ার আদমদীঘির রাজিয়া সুলতানা নামে এক নারী। পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী তাঁর জন্ম ১৯২২ সালের ২০ জুন। সে হিসাবে তাঁর বর্তমান বয়স ১০৪ বছর। অথচ তাঁর বাবা আব্দুর রহিম খন্দকারের জন্ম ১৯৩৭ সালের ৫ আগস্ট। বাবার বয়স বর্তমানে ৮৯ বছর। অর্থাৎ সরকারি নথির হিসাবে মেয়েই বাবার চেয়ে ১৫ বছরের বড়! এ নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।
জানা যায়, উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়নের ইন্দইল গ্রামের মৃত আব্দুর রহিম খন্দকারের সর্বকনিষ্ঠ মেয়ে রাজিয়া সুলতানা। তাঁর চার বোন ও এক ভাই রয়েছেন। জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী তাঁর জন্ম ১৯৮৯ সালের ১২ এপ্রিল। সে হিসাবে বর্তমানে তাঁর বয়স ৩৭ বছর। কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্মতারিখ ১৯২২ সালের ২০ জুন উল্লেখ থাকায় সরকারি নথিতে তাঁর বয়স দেখাচ্ছে ১০৪ বছর।
অন্যদিকে, রাজিয়া সুলতানার বাবা আব্দুর রহিম খন্দকারের জন্ম ১৯৩৭ সালের ৫ আগস্ট। জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী তাঁর বয়স ৮৯ বছর। ফলে বাবা-মেয়ের বয়সের হিসাবেই তৈরিা হয়েছে অদ্ভুত পরিস্থিতি মেয়ের বয়স বাবার চেয়ে ১৫ বছর বেশি!
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির সময় নির্বাচন অফিসের লোকজন ভুলবশত তাঁর জন্মসাল ১৯৮৯ এর পরিবর্তে ১৯২২ উল্লেখ করা হয়। এ ভুল সংশোধনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেও কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাননি তিনি। ফলে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গে প্রকৃত বয়সের মিল না থাকায় বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে তাঁকে।
বগুড়া জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার ফজলুল করিমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।
(বিএস/এসপি/সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬)
