প্রচ্ছদ » আইন আদালত » বিস্তারিত
১৩ বছর পর মামলার রায়
বিএনপি নেতা ফারুক হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২১ ১৯:১০:৪৩
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও টাঙ্গাইল সদর থানা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম ফারুক হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এই মামলায় একজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার সকালে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. ফয়সাল আল মামুন এ রায় দেন। দুপুরে টাঙ্গাইলের কোর্ট ইন্সপেক্টর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- তৎকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা (৩০), টাঙ্গাইল সদর থানার কাগমারা এলাকার আফজাল ফকিরের ছেলে মো. আজাদ (২৫) ও দাইন্যা ইউনিয়নের শ্রীফলিয়াটা গ্রামের সহিদ মিয়ার ছেলে শাহজাহান মিয়া (৩১)। তারা সবাই পলাতক রয়েছেন।
এছাড়া যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- টাঙ্গাইল সদর থানার কাঠোয়া যোগনী গ্রামের আব্দুল লতিফ মিয়ার ছেলে মো. সুজন (৩২), শ্রীফলিয়াটা গ্রামের রওশন আলীর ছেলে সানোয়ার হোসেন (৩৪), উত্তর কাইয়ামারা নদীর পাড় (চর পাড়া) গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে শফিকুল ইসলাম শফিক (২৫) ও ছিটকী বাড়ি গ্রামের নুর বক্সের ছেলে রুজবেল ওরফে ইমন।
তাদের মধ্যে শফিক ও রুজবেল পলাতক রয়েছেন। রায়ে সঞ্জিত ঘোষ (২৬) নামে এক আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার সূত্রে জানা যায়, রফিকুল ইসলাম ফারুক টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তিনি প্রাতঃভ্রমণে বের হন। আকুরটাকুর বটতলা বাজার এলাকায় পৌঁছালে একদল সন্ত্রাসী তাকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পরদিন ফারুকের ছোট ভাই লাভলু মিয়া বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।
টাঙ্গাইল জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি সাইদুল রহমান স্বপন বলেন, বিচার শেষে তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়। এছাড়া যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চারজনকেই ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককেই আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
(এসএম/এসপি/সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬)
