প্রচ্ছদ » মুক্তচিন্তা » বিস্তারিত
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে বাড়ছে জনদুর্ভোগ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৩ ১৭:৩৭:৪৯
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে তার প্রভাব শুধু একটি পণ্যের বাজারদরেই সীমাবদ্ধ থাকে না। পরিবহন, কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য, পণ্য সরবরাহ থেকে শুরু করে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই এর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রভাব পড়ে। বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের আয় যখন জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে তাল মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে, তখন নতুন করে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি জনজীবনে বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ থেকে ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ থেকে ১৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ চার ধরনের জ্বালানি তেলের দামই লিটারে ২০ টাকা করে বেড়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বা বিপিসি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিপিসির ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা বলে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের উচ্চমূল্য, বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ এবং পার্শ্ববর্তী দেশে জ্বালানি পাচারের ঝুঁকির বিষয়টিও সরকার মূল্য সমন্বয়ের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
আন্তর্জাতিক বাজারের বাস্তবতা ও রাষ্ট্রীয় জ্বালানি সংস্থার আর্থিক চাপ অবশ্যই বিবেচনার বিষয়। কিন্তু এই বাড়তি ব্যয়ের ভার শেষ পর্যন্ত কে বহন করবে? জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর পরিবহন মালিক, কৃষক, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভোক্তা প্রত্যেকেই যদি নিজ নিজ ব্যয় সমন্বয়ের চেষ্টা করেন, তাহলে এর সম্মিলিত চাপ গিয়ে পড়বে সাধারণ মানুষের ওপর। ফলে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে শুধু একটি প্রশাসনিক মূল্য সমন্বয় হিসেবে দেখলে বাস্তব পরিস্থিতির পুরো চিত্র পাওয়া যাবে না।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ডিজেলের গুরুত্ব বিশেষভাবে বেশি। পরিবহন খাতের পাশাপাশি কৃষির সেচ, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্প খাতেও ডিজেলের ব্যবহার রয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে বছরে প্রায় ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টন ডিজেল ব্যবহৃত হয় এবং মোট পেট্রোলিয়াম পণ্যের ব্যবহারে ডিজেলের অংশ প্রায় ৬৪ শতাংশ। এর বড় অংশ পরিবহন খাতে ব্যবহৃত হয়, কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্পেও এর উল্লেখযোগ্য ব্যবহার রয়েছে। ফলে ডিজেলের দাম বাড়ার প্রভাব অর্থনীতির বিভিন্ন স্তরে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা স্বাভাবিক।
সবচেয়ে দ্রুত যে খাতে চাপ তৈরি হতে পারে, তা হলো গণপরিবহন ও পণ্য পরিবহন। বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, নৌযানসহ বিভিন্ন পরিবহন ব্যবস্থায় জ্বালানি ব্যয় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচালন ব্যয়। জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন মালিকদের ব্যয় বাড়ে। সেই বাড়তি ব্যয় ভাড়া বা পণ্য পরিবহন খরচের মাধ্যমে ভোক্তার ওপর স্থানান্তরিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ইতোমধ্যে জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির পর পরিবহন ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর পর বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দূরপাল্লা ও মহানগর দুই ধরনের বাসের ক্ষেত্রেই একই হারে ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২২ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দূরপাল্লার বাসে বর্তমানে কিলোমিটারপ্রতি ২ টাকা ২৩ পয়সা ভাড়া রয়েছে। ১৭ পয়সা বাড়লে তা দাঁড়াবে ২ টাকা ৪০ পয়সা। আর ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় কিলোমিটারপ্রতি বর্তমান ভাড়া ২ টাকা ৫৩ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৭০ পয়সা হতে পারে। জ্বালানির দাম নির্ধারণ করার পর ভাড়া বৃদ্ধির যৌক্তিকতা, পণ্য পরিবহন ব্যয় এবং বাজারদরের ওপর এর প্রভাবও কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা হলো এর ‘মাল্টিপ্লায়ার ইফেক্ট’। একটি পণ্য উৎপাদন করতে জ্বালানি লাগে, উৎপাদিত পণ্য বাজারে আনতে পরিবহন লাগে, দোকান বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চালাতেও বিদ্যুৎ ও অন্যান্য জ্বালানি ব্যয় হয়। ফলে একটি পর্যায়ে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি অন্য সকল পর্যায়ের ব্যয় বাড়াতে পারে। ব্যবসায়ী যদি পরিবহন ব্যয় বাড়ার কারণে পণ্যের দাম বাড়ান, তাহলে তার প্রভাব গিয়ে পড়ে ক্রেতার ওপর। আবার উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেলে উৎপাদকও মূল্য সমন্বয়ের চেষ্টা করেন। এভাবেই জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি অর্থনীতির বিভিন্ন স্তরে অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
কৃষি খাতও এর বাইরে নয়। সেচযন্ত্র, কৃষিপণ্য পরিবহন, যন্ত্রপাতি পরিচালনা এবং বাজারজাতকরণের সঙ্গে জ্বালানি ব্যয় জড়িত। ডিজেলের দাম বাড়লে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বাড়তে পারে। কৃষকের উৎপাদন ব্যয় বাড়লে কৃষিপণ্যের বাজারদরেও তার প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। খাদ্যপণ্যের দাম ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের অন্যতম প্রধান উদ্বেগের বিষয়। আগস্ট ২০২৬-এ দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি ৮.২৬ শতাংশে নেমেছিল এবং খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ৭.০২ শতাংশ। এই অবস্থায় জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির কারণে নতুন করে উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বাড়লে মূল্যস্ফীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয় কি না, তা সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
শিল্প ও ব্যবসা খাতেও এর প্রভাব পড়বে। কারখানার উৎপাদন, কাঁচামাল পরিবহন, পণ্য সরবরাহ ও লজিস্টিক ব্যয় বাড়লে উৎপাদন ব্যয় বাড়ে। বিশেষ করে যেসব শিল্প ইতোমধ্যে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, উচ্চ সুদহার, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি এবং বাজারের অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে, তাদের জন্য অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যয় নতুন চাপ তৈরি করতে পারে। জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি ব্যবসার ব্যয় বাড়াবে এবং রপ্তানিমুখী শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
আন্তর্জাতিক বাজারের বাস্তবতা উপেক্ষা করে দীর্ঘদিন কৃত্রিমভাবে জ্বালানির দাম কমিয়ে রাখা সবসময় সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক বাজারের উচ্চমূল্যের কারণে বিপিসি প্রতি লিটার ডিজেলে প্রায় ৮৯ টাকা পর্যন্ত লোকসান করছিল এবং দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকা পর্যন্ত দাঁড়িয়েছিল। সরকার বলেছে, নতুন মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে বিপিসির বার্ষিক লোকসান কমানো, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং সীমান্তপথে জ্বালানি পাচারের ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
কিন্তু রাষ্ট্রীয় লোকসান কমানোর পাশাপাশি জনগণের ওপর বাড়তি চাপ কীভাবে কমানো হবে, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রাষ্ট্রের আর্থিক ভারসাম্য রক্ষা করতে গিয়ে যদি পরিবহন ব্যয়, খাদ্যপণ্যের দাম, কৃষি উৎপাদন ব্যয় এবং সাধারণ পরিবারের মাসিক খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়, তাহলে এর সামাজিক অভিঘাতও বিবেচনায় নিতে হবে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ তাদের আয়ের বড় অংশ খাদ্য, বাসাভাড়া, পরিবহন, শিক্ষা ও চিকিৎসায় ব্যয় করেন। তাদের আয় যদি একই হারে না বাড়ে, তাহলে জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি জীবনযাত্রার মানে পড়ে।
বাজার তদারকি আরও জোরদার করা জরুরি। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সুযোগ নিয়ে কোনো মহল যেন অযৌক্তিকভাবে পণ্য ও সেবার দাম বাড়াতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। পরিবহন ভাড়া নির্ধারণে বাস্তব ব্যয়, দূরত্ব, জ্বালানি ব্যবহার ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয়ের নির্ভরযোগ্য হিসাব বিবেচনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, পণ্য পরিবহনে অস্বাভাবিক চার্জ এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থাতেও আরও স্বচ্ছতা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশের বাজারে তার সুফল কত দ্রুত প্রতিফলিত হবে, দাম বাড়লে কতটা সমন্বয় করা হবে, বিপিসির ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্যের ব্যবধান কত, ভর্তুকির পরিমাণ কত এবং জনগণের ওপর মোট আর্থিক চাপ কতটা তৈরি হচ্ছে, এসব তথ্য নিয়মিতভাবে জনসম্মুখে প্রকাশ করা দরকার। এতে জনগণের মধ্যে মূল্য সমন্বয়ের কারণ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা তৈরি হবে এবং অযথা বিভ্রান্তি ও সন্দেহ কমবে।
জ্বালানি ব্যবহারে দক্ষতা বাড়ানো, গণপরিবহনকে আরও কার্যকর করা, বৈদ্যুতিক ও বিকল্প জ্বালানিনির্ভর যানবাহনের ব্যবহার বাড়ানো, রেল ও নৌপথে পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার সম্প্রসারণের মতো দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ নিতে হবে। শুধু দাম বাড়িয়ে জ্বালানি খাতের সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী করাও জাতীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হওয়া উচিত।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর এর প্রভাব কোথায় কতটা পড়ছে, তার নিয়মিত তথ্যভিত্তিক মূল্যায়ন করা। পরিবহন ভাড়া, কৃষি উৎপাদন ব্যয়, শিল্পের উৎপাদন ব্যয়, পণ্যের সরবরাহ ব্যয় ও বাজারদরের ওপর এর প্রভাব আলাদাভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। কোথাও অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। শুধু মূল্য ঘোষণা করে বাজারকে নিজের গতিতে ছেড়ে দিলে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ আরও বাড়তে পারে।
জ্বালানি তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও এর চূড়ান্ত প্রভাব পড়ে মানুষের জীবনযাত্রায়। তাই মূল্য সমন্বয়ের অর্থনৈতিক প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি জনস্বার্থ, বাজার স্থিতিশীলতা এবং নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের সক্ষমতাকেও গুরুত্ব দিতে হবে। রাষ্ট্রীয় সংস্থার লোকসান কমানো যেমন প্রয়োজন, তেমনি সেই প্রক্রিয়ায় জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে কি না, সেটিও দেখতে হবে।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পরিবহন থেকে বাজার, কৃষি থেকে শিল্প এবং উৎপাদন থেকে মানুষের পারিবারিক ব্যয় পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো জ্বালানি বাজারের বাস্তবতা ও রাষ্ট্রীয় আর্থিক চাপ মোকাবিলার পাশাপাশি জনদুর্ভোগ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া। মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে যদি কঠোর বাজার তদারকি, যৌক্তিক পরিবহন ভাড়া, কৃষি ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা এবং স্বচ্ছ মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়, তবে এর প্রভাব কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। অন্যথায় জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধীরে ধীরে অর্থনীতির বিভিন্ন স্তর পেরিয়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়াবে। তাই জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বাস্তবতা মেনে নিয়েও জনদুর্ভোগ কমানোর কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
লেখক : শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক।
