ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রচ্ছদ » দেশের খবর » বিস্তারিত

শ্রীনগরে অবৈধভাবে সরকারি খাল ভরাটের অভিযোগ

২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৯ ১৯:০০:৪৩
শ্রীনগরে অবৈধভাবে সরকারি খাল ভরাটের অভিযোগ

শ্রীনগর প্রতিনিধি : শ্রীনগর উপজেলার রাঢ়িখাল ইউনিয়নের তিনদোকান-দামলা সরকারি খাল ভরাট করা হচ্ছে। ভূমি সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা রাতের আধারে ড্রাম ট্রাকে করে দূর থেকে বালু খালের বিভিন্ন অংশ ভরাট করছে। অভিযোগ উঠেছে মালিকানা কৃষিজমির সঙ্গে সরকারি দৃশ্যমান খালের জায়গা ভরাট করে অবৈধ প্লট বাণিজ্য করছে চক্রটি।

সরেজমিনে দেখা যায়, মঙ্গলবার দুপুরের দিকে শ্রীনগর-দোহার আঞ্চলিক সড়কের দামলা রবি টাওয়ারের বিপরীত পাশে দামলা-তিনদোকান নামক খাল ভরাটের মহোৎসব চলছে। এরই মধ্যে সরকারি খালটির বেশকিছু জায়গা বালু দিয়ে ভরাট সম্পন্ন হয়ে গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খাল ভরাট সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য ওই এলাকার মহাসিন মাস্টারের নেতৃত্বে অবৈধভরাট কার্যক্রম চলছে।

স্থানীয়রা বলেন, রাঢ়িখাল জেসি বোস ইনস্টিটিউটের সহকারী শিক্ষক মহাসিন মাস্টার সিন্ডিকেট খালের কিছু জায়গা ভরাট করে বিক্রির জন্য প্লট বানিয়েছে। অন্যদিকে খালের আরেক অংশে ভরাট চলমান রয়েছে। রাতের আধারে ড্রাক ট্রাক দিয়ে বালু ফেলছে চক্রটি।

এলাকাবাসী আরো জানান, কিছুদিন আগে উপজেলা প্রশাসন একটি ড্রেজার উচ্ছেদ করলেও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ভরাট চক্রের সদস্যরা রাতের আধারে দামলা-তিনদোকান খাল ভরাট করে যাচ্ছে। এনিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। মহাসিন মাস্টারের খুঁটির জোর কোথায়?

স্থানীয় কৃষকরা জানান, ধীরে ধীরে যদি খালটি ভরাট হয়ে যায় তাহলে এক সময় অসংখ্য কৃষিজমিতে দীর্ঘ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে। রাঢ়িখাল এলাকার মহাসিন মাস্টার খালের জায়গা দখল করে প্লট বাণিজ্য করছেন। সরকারি খালটি রক্ষায় ও অবৈধ ভরাট বাণিজ্য বন্ধে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আর্কষণ করছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে অভিযুক্ত মো. মহাসিন মাস্টারের মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

রাঢ়িখাল ভূমি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা মো. আরিফ খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে এসিল্যান্ড স্যার দামলা থেকে একটি ড্রেজার উচ্ছেদ করেছেন। চলমান ভরাটের বিষয়টি আমার জানা নেই। এখনই খোঁজ নিয়ে দেখছি।

(এম/এসপি/সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬)