প্রচ্ছদ » দেশের খবর » বিস্তারিত
ওয়াহিদুজ্জামান ওরফে শামীম হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার
২০২৬ অক্টোবর ১৮ ১২:২৩:৫০
রঘুনাথ খাঁ, সাতক্ষীরা :সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের বড় শান্তা গ্রামের মানসিক রোগী ওয়াহিদুজ্জামান শামীমকে হাসপাতালে ঢুকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার প্রধান আসামী ফজলুল হক আমিনীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও এসআরবি। শনিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে এসআরবি ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামের হাজী কুদ্দুস মুন্সীর ছেলে ইসলামী বীমা কোম্পানীর কর্মকর্তা বসির আহম্মদ এর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ফজলুল হক আমিনী দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামের কারী রুহুল আমিনের ছেলে।
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এইচ এম শাহীন জানান, দেবহাটা সার্কেল, কালীগঞ্জ থানা ও দেবহাটা থানা এবং এসআরবি-৬ এর যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে শনিবার রাত পৌনে ১১ টার দিকে কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগর এলাকার এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সাত দিনের রিমাণ্ড আবেদন জানানো হচ্ছে।
তবে কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামের বসির আহম্মেদ জানান,শনিবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে তার বাড়ি থেকে পুলিশ ফজলুল হক আমিনীকে গ্রেপ্তার করেছে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ অক্টোবর দেবহাটায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে ওয়াহিদুজ্জামান শামীম (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে প্রথমে বাড়িতে, ১৪ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় কুলিয়ার এমএ সবুরের ক্লিনিক থেকেনবের করে ও রাতে সখীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতরে ডাক্তার, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের উপস্থিতিতে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ওয়াহিদুজ্জামান ওরফে শামীম দেবহাটা উপজেলার বড় শান্তা গ্রামের শামছুর রহমান সানার ছেলে।
এ ঘটনায় নিহতের আব্দুল জলিল বাদী হয়ে ১৫ অক্টোবর ফজলুল হক আমিনী, পারুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক সাদিকুল ইসলাম, ওই ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড জামায়তের সভাপতি সুবর্ণাবাদ গ্রামের কামরুল ইসলামকে প্রধান আসামী করে আরো সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২৫০ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন।পরদিন ভোরে পুলিশ এজাহারভুক্ত মোক্তার হোসেন খান ও আসাদুল মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে।
তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে পাঁচ দিন করে রিমাণ্ড আবেদন করা হয়।
(আরকে/এএস/অক্টোবর ১৮, ২০২৬)
