প্রচ্ছদ » খেলা » বিস্তারিত
মুশফিককে একাদশে না রাখার ব্যাখ্যা দিল বিসিবি
২০২৬ অক্টোবর ২৮ ১৫:০৯:৪৩
স্পোর্টস ডেস্ক : আঙুলের চোট শেষ পর্যন্ত খেলতে দিল না মুশফিকুর রহিমকে। অনুশীলনে পাওয়া চোট থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠায় তাকে ছাড়াই একাদশ সাজিয়েছে বাংলাদেশ। অভিজ্ঞ এই ব্যাটারের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন তাওহিদ হৃদয়। জাতীয় দলের ফিজিও বায়জিদুল ইসলাম খান জানান, আগামী তিন দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠবেন মুশফিক। সে ক্ষেত্রে পরের ম্যাচেই তাকে পাওয়া যেতে পারে।
ম্যাচের আগের দিন, অর্থাৎ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে অনুশীলনের সময় ডান হাতের তর্জনিতে চোট পান মুশফিক। আঘাত পাওয়ার পর ব্যথায় কাতরাতে দেখা যায় তাকে। আঙুলে টেপ পেচিয়ে এরপর ড্রেসিংরুমে ফিরে যান তিনি। চোটের কারণে সেদিন আর ব্যাটিং অনুশীলনও করেননি বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই উইকেটকিপার-ব্যাটার।
প্রাথমিকভাবে শঙ্কা তৈরি হলেও এক্সরে রিপোর্টে গুরুতর কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। ফলে রাতে আশা করা হচ্ছিল, একাদশে বিবেচনায় থাকবেন মুশফিক। তবে সকালে পরিস্থিতির যথেষ্ট উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাকে নিয়ে ঝুঁকি নেয়নি টিম ম্যানেজমেন্ট।
মুশফিকের চোটের সর্বশেষ অবস্থা জানিয়েছেন জাতীয় দলের ফিজিও বায়জিদুল ইসলাম খান। তার বক্তব্য, আঘাত পাওয়ার পর থেকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল মুশফিককে। তবে ম্যাচের দিন সকাল পর্যন্ত তার অবস্থার প্রত্যাশিত উন্নতি হয়নি।
ফিজিও বলেন, ‘মুশফিকুর রহিম গতকাল প্র্যাকটিসের সময় ডান হাতের তর্জনিতে ব্যথা পেয়েছে। এরপর থেকে ও পর্যবেক্ষণে ছিল। আজ সকাল পর্যন্ত যথেষ্ট উন্নতি হয়নি। আমরা আশা করছি, আগামী তিন দিনের মধ্যে এটা সেরে উঠবে। সে পরের ম্যাচের জন্য এভেইলএভেল থাকবে।’
ফিজিওর এই বক্তব্যে আপাতত স্বস্তি পেতে পারে বাংলাদেশ। তবে পরের ম্যাচে মুশফিকের খেলা নির্ভর করবে তার আঙুলের অবস্থার উন্নতি এবং মেডিকেল দলের মূল্যায়নের ওপর।
চোটের কারণে মুশফিকের টেস্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। ২০২৪ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরেও চোটের কারণে একটি টেস্টে খেলতে পারেননি তিনি। এবারও আঙুলের চোটে তাকে বাইরে থাকতে হচ্ছে।
এইদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে মুশফিকের অনুপস্থিতিতে একাদশে সুযোগ পেয়েছেন তাওহিদ হৃদয়। তরুণ এই ব্যাটারের জন্য এটি নিজেকে প্রমাণের আরেকটি সুযোগ। গত জুনে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল তার। এরপর গত আগস্টে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে বড় ইনিংস খেলে নজর কাড়েন হৃদয়। সাড়ে তিনশ রানের সেই ইনিংস তার ব্যাটিং সামর্থ্যেরই প্রমাণ।
(ওএস/এএস/অক্টোবর ২৮, ২০২৬)
