প্রচ্ছদ » অর্থ ও বাণিজ্য » বিস্তারিত
ব্র্যাক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে যোগ দিলেন মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী
২০২৬ নভেম্বর ০২ ১৭:৫৪:৩০স্টাফ রিপোর্টার : ব্র্যাক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে যোগ দিয়েছেন দেশের প্রখ্যাত অর্থ ও নিরীক্ষা বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী। দীর্ঘ কয়েক দশকের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি সরকারি অর্থায়ন, পাবলিক-সেক্টর অডিট, ব্যাংকিং, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং পাবলিক ডেট ম্যানেজমেন্টে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ সচিব, বাংলাদেশের মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ) এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসি-এর চেয়ারম্যানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও নীতিনির্ধারণী পদে সফলতার সাথে কাজ করেছেন। এছাড়াও তিনি বিশ্বব্যাংক এবং যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ডিএফআইডি)-এর পাবলিক ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট রিফর্ম এরিয়াতে কনসালট্যান্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ‘ইনাফি বাংলাদেশ (INAFI Bangladesh)’-এর বোর্ড অব গভর্নরসের চেয়ারম্যান এবং ‘আকিজইনসাফ গ্রুপ’-এর ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজার হিসেবে নিয়োজিত আছেন।
ব্র্যাক ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদে মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরীকে স্বাগত জানিয়ে ব্যাংকটির চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসান বলেন, “জনাব মুসলিম চৌধুরীর বাংলাদেশ সরকারের অর্থ সচিব ও মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। পলিসি তৈরি এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে তাঁর এই অনন্য দক্ষতা আমাদের ব্যাংকের সুশাসন ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, তাঁর সুচিন্তিত দিকনির্দেশনা ব্র্যাক ব্যাংকের ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করবে।”
বাংলাদেশের সরকারি আর্থিক খাত সংস্কার এবং আধুনিকায়নের একজন অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী দেশের আর্থিক সুশাসন ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধিতে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন। সরকারি সেবা খাতে তাঁর এই বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৭ সালে তাঁকে মর্যাদাপূর্ণ ‘জনপ্রশাসন পদক’ প্রদান করা হয়।
তিনি যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাকাউন্টিং ও ফাইন্যান্সে ডিস্টিংকশনসহ এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমার্সে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। এছাড়া তিনি লন্ডনের চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব পাবলিক ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্ট্যান্সি (সিআইপিএফএ) থেকে পাবলিক সেক্টর অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টসে ডিপ্লোমা ডিগ্রি লাভ করেন।
পাবলিক-সেক্টর অডিট, ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং এবং পাবলিক ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্টের ওপর তাঁর রয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ও প্রকাশনা।
(পিআর/এসপি/নভেম্বর ০২, ২০২৬)
