প্রচ্ছদ » ক্যাম্পাস » বিস্তারিত
গোবিপ্রবিতে অফিস ব্যবস্থাপনা ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা
২০২৬ নভেম্বর ০৪ ১৮:২৬:০১
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) কর্মকর্তাদের অফিস ব্যবস্থাপনা ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ৫০১ নম্বর কক্ষে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)।
কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম।
কর্মশালায় প্রোগ্রাম মডারেটর ছিলেন আইকিউএসি’র পরিচালক ড. মো. বশির উদ্দিন, রিসোর্স পারসন ছিলেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের একাউন্টিং এন্ড ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রধান ও ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক উপদেষ্টা এম. আমিনুর। কোর্স সমন্বয় করেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক ড. ঈশিতা রায় ও ড. বিতান খানম।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, পদ ছোট নাকি বড়, সেটি বিষয় নয়। আমাদের যার যা দায়িত্ব সেটি সঠিকভাবে পালন করাই বড় কথা। কারণ সামান্য ভুলেও বড় ক্ষতি হতে পারে। কেননা একজন নিরাপত্তা কর্মীর বেতন যতো কম হোক না কেনো, তার দায়িত্বের ওপর একজনের জীবন নির্ভর করে। সে কারণে কারও দায়িত্বে অবহেলা বরদাস্ত করা হবে না। প্রশিক্ষণার্থীরা এখানে নতুন কিছু শেখার জন্য, জানার জন্য এসেছে। এখানে নতুন করে নিজেকে জানার সুযোগ তৈরি হয়েছে। কেউ যাতে ফাঁকিবাজি করতে না পারে, সেদিকটা মাথায় রেখে, প্রশিক্ষণের পর রিভিউ বা পরীক্ষার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। সত্যিকার অর্থে যাতে এই প্রশিক্ষণ সবার কাজে আসে।
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আতাউর রহমান বলেন, অনেক কিছু জানা থাকার পরও তার চর্চা অব্যাহত রাখতে হয়। এবং এসব প্রশিক্ষণে পরস্পরের মধ্যে যে তথ্যের আদান প্রদান ঘটে, তা নতুন কিছু শেখার সুযোগ তৈরি করে। কারণ প্রত্যেকের জানা বোঝায়, দৃষ্টিভঙ্গিতে ভিন্নতা রয়েছে। দিনশেষে আমাদের শিক্ষা যেনো বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে লাগে, সেটি খেয়াল রাখা জরুরি।
কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. খসরুল আলম বলেন, কর্মস্থলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি এবং ব্যক্তির উন্নয়নের জন্য চাকরিরত অবস্থায় এসব প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। সে লক্ষ্যে আমাদের নিজেদের অবস্থা জেনে বুঝে যেখানে যতোটুকু প্রয়োজন, ঘাটতি পূরণ করতে হবে। আমরা যেনো অংশীজনদের প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ না হই।
(টিবি/এসপি/নভেম্বর ০৪, ২০২৬)
